প্রকাশ: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:০১ পিএম

বায়ুদূষণ ও ধোঁয়াশার কারণে চোখে জ্বালাপোড়া, চুলকানি, লাল হয়ে যাওয়া কিংবা অতিরিক্ত পানি পড়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। বাইরে না গেলেও এসব উপসর্গ হতে পারে, কারণ দরজা-জানালা ও বায়ু চলাচলের পথ দিয়ে দূষিত কণা ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে। এ ছাড়া ফ্যান ও শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের বাতাস চোখের আর্দ্রতা কমিয়ে অস্বস্তি বাড়াতে পারে। দীর্ঘ সময় মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারের পর্দায় তাকিয়ে থাকলেও চোখের পলক কম পড়ে, ফলে চোখ শুষ্ক হয়ে যেতে পারে।
চোখের অস্বস্তি কমাতে দূষণের মাত্রা বেশি থাকলে জানালা বন্ধ রাখা, ঘরের ধুলাবালি নিয়মিত পরিষ্কার করা এবং সম্ভব হলে হেপা (হাই-এফিশিয়েন্সি পার্টিকুলেট এয়ার) ফিল্টারযুক্ত এয়ার পিউরিফায়ার ব্যবহার করা যেতে পারে। চোখ ঘষা থেকে বিরত থাকতে হবে। পাশাপাশি স্ক্রিন ব্যবহারের মাঝে বিরতি নেওয়া ও নিয়মিত চোখের পলক ফেলা জরুরি। চোখ শুষ্ক হলে কৃত্রিম অশ্রু বা লুব্রিকেটিং আই ড্রপ ব্যবহারের আগে চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া ভালো।
চোখে জ্বালাপোড়া বা অস্বস্তি দীর্ঘস্থায়ী হলে কিংবা ক্রমে বাড়লে অবহেলা করা উচিত নয়। চোখে তীব্র ব্যথা, অতিরিক্ত লালভাব, আলোর প্রতি সংবেদনশীলতা, ঝাপসা দৃষ্টি বা অস্বাভাবিক নিঃসরণ দেখা দিলে দ্রুত চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে। এসব উপসর্গের পেছনে দূষণ ছাড়াও অন্য কোনো চোখের সমস্যা থাকতে পারে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি