প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:২৬ পিএম

দিনের তুলনায় রাতে কাশি বেড়ে যাওয়ার পেছনে বায়ুদূষণ, অ্যালার্জি, হাঁপানি কিংবা অ্যাসিড রিফ্লাক্সের মতো কারণ থাকতে পারে। দূষিত বাতাসে থাকা সূক্ষ্ম বস্তুকণা শ্বাসনালিতে প্রদাহ ও অস্বস্তি তৈরি করতে পারে। ফলে শ্লেষ্মা উৎপাদন বাড়ে এবং কাশির প্রবণতা দেখা দেয়। আগে থেকেই শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা রয়েছে, এমন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে দূষণের প্রভাব আরও বেশি হতে পারে।
রাতে শুয়ে পড়লে নাক ও সাইনাসের শ্লেষ্মা গলার পেছনে নেমে এসে কাশি বাড়াতে পারে। হাঁপানিতে আক্রান্ত ব্যক্তিদেরও রাতে শ্বাসনালি বেশি সংবেদনশীল হয়ে উঠতে পারে। এ ছাড়া শোয়ার পর পাকস্থলীর অ্যাসিড খাদ্যনালিতে উঠে এলে গলায় অস্বস্তি ও কাশি হতে পারে। ঘরের ধুলাবালি, সিগারেটের ধোঁয়া, মশার কয়েল ও রান্নার ধোঁয়াও এ সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে।
রাতের কাশি কমাতে বায়ুমান সূচক (একিউআই) দেখে বাইরে চলাফেরা নিয়ন্ত্রণ করা, দূষণ বেশি থাকলে ঘরের বাতাস পরিষ্কার রাখা, ধোঁয়া ও ধুলাবালি এড়িয়ে চলা এবং পর্যাপ্ত পানি পান করা সহায়ক হতে পারে। শোয়ার সময় মাথা কিছুটা উঁচুতে রাখলেও কিছু ক্ষেত্রে আরাম পাওয়া যায়। হাঁপানি থাকলে চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী ওষুধ ব্যবহার করা জরুরি। কাশি তিন সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হলে বা বারবার ঘুমের ব্যাঘাত ঘটালে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। তীব্র শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা, কাশির সঙ্গে রক্ত পড়া কিংবা ঠোঁট নীল হয়ে গেলে জরুরি চিকিৎসা নিতে হবে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি