প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:২২ পিএম

মাথাব্যথা, দাঁতের ব্যথা কিংবা শরীরের সামান্য যন্ত্রণা হলেই ব্যথানাশক ওষুধ বা পেইনকিলার খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে অনেকের। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিয়মিত বা অতিরিক্ত মাত্রায় এসব ওষুধ সেবনে কিডনি ও লিভারের ক্ষতি, পাকস্থলীতে আলসার এবং রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়তে পারে। ওষুধের ধরন, মাত্রা, ব্যবহারের সময়কাল ও ব্যক্তির শারীরিক অবস্থার ওপর এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নির্ভর করে।
আইবুপ্রোফেন, ডাইক্লোফেনাক ও ন্যাপ্রোক্সেনের মতো কিছু ব্যথানাশক কিডনিতে রক্তপ্রবাহ কমিয়ে দিতে পারে। অন্যদিকে, প্যারাসিটামল নির্ধারিত মাত্রায় সাধারণত নিরাপদ হলেও অতিরিক্ত সেবনে গুরুতর লিভারের ক্ষতি হতে পারে। কিছু ব্যথানাশক রক্তচাপ বাড়ানো, শরীরে পানি জমা এবং হৃদ্রোগের ঝুঁকিও বাড়াতে পারে। ঘন ঘন ওষুধ সেবনে উল্টো মাথাব্যথা আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
কিডনি বা লিভারের রোগী, উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদ্রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি, বয়স্ক মানুষ এবং গর্ভবতী নারীদের ব্যথানাশক ব্যবহারে বিশেষ সতর্ক থাকা প্রয়োজন। সামান্য ব্যথা হলেই নিজের সিদ্ধান্তে ওষুধ না খেয়ে প্যাকেটের নির্দেশনা মেনে চলা, একই উপাদান থাকা একাধিক ওষুধ একসঙ্গে এড়িয়ে চলা এবং বারবার ব্যথা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। ওষুধ সেবনের পর রক্তবমি, কালো পায়খানা, প্রস্রাব কমে যাওয়া বা শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে। অতিরিক্ত প্যারাসিটামল খেয়ে ফেললেও উপসর্গের জন্য অপেক্ষা না করে জরুরি চিকিৎসা সহায়তা নেওয়া উচিত।
স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি