প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:০৯ পিএম

এসএসসি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশের ১৫ দিনের মধ্যে পুনঃপরীক্ষা নেওয়ার উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। পুনঃপরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীরা সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থায় থাকবে, নাকি তাদের কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষায় স্থানান্তর করা হবে, সে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে বগুড়ার পল্লী উন্নয়ন একাডেমির মিলনায়তনে ৪৯তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডার কর্মকর্তাদের ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।
তিনি বলেন, যারা পাস করেছে, তারা তো করেছেই। তবে ঝরে পড়া ও অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের কীভাবে আবার শিক্ষার ধারায় ফিরিয়ে আনা যায়, তা নিয়ে ভাবতে হবে। এসব শিক্ষার্থীকে পুনরুজ্জীবিত করা এবং তাদের জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
এসএসসি পরীক্ষার পরিকল্পনা তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এসএসসিতে আমরা যেটা করব, তা হচ্ছে সর্বোচ্চ দুটি বিষয়ে যারা ফেল করবে, ফলাফল প্রকাশের ১৫ দিনের মধ্যে তাদের পরীক্ষা আবার নেব। ফেইলের এ লিগ্যাসি আমরা বছরের পর বছর টেনে নিয়ে যাব না। ১৫ দিনের মধ্যে নেওয়া পরীক্ষার ফলাফলের ওপর নির্ভর করবে তারা সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থায় থাকবে নাকি থাকবে না। সেখানে না পারলে তাদেরকে আমরা কারিগরি বা ভোকেশনাল শিক্ষায় নিয়ে যাব।’
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, দেশে নৈতিকতার অবক্ষয় ঘটেছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে একটি প্রজন্ম থেকেই পরিবর্তন শুরু করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এই অবক্ষয় রোধ করা যায়। এ জন্য প্রধানমন্ত্রী চতুর্থ শ্রেণি থেকেই সংস্কৃতি, খেলাধুলা, নৈতিকতা এবং ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ বা আনন্দের সঙ্গে শেখার বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়েছেন।
জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম) আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিবের রুটিন দায়িত্বে থাকা ড. সরদার কেরামত আলী।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনউদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল, নায়েমের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. ওয়াসীম মো. মেজবাহুল হক এবং পল্লী উন্নয়ন একাডেমি, বগুড়ার ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. মো. আব্দুল মজিদ প্রামাণিক।
স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি