প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৫, ৪:৩০ পিএম আপডেট: ১৪.১০.২০২৫ ৪:৩২ PM

নাজমুল হক
সেনাবাহিনী দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। জুলাই–আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে সেনাবাহিনীর বেশিরভাগ অফিসার... বিশেষ করে তরুণ অফিসার ও সৈনিকরা জনগণের পাশে থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী বিশৃঙ্খল দেশটার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনী এখনো নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্য ছিলো বৈষম্য দূরীকরণ বা ন্যায়বিচারের। এই পথচলায় ন্যায়বিচারের প্রক্রিয়া সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হতে হবে। কোনো ক্ষমতাসীন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তার বাইরে থাকার নয়।
বিচারব্যবস্থা ও সেনাবাহিনীকে কোনোভাবেই মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড় করানো উচিত নয়। এটা রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের জন্য ভয়াবহ হুমকি।
দেশের সর্বোচ্চ সম্মানিত পদ প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রীর চেয়েও কি মেজর জেনারেল বা বিগ্রেডিয়ার সম্মানিত পদবী...সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও সাবেক প্রেসিডেন্ট ছিলেন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে। ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় NSI এর সাবেক মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অব. আবদুর রহিম এবং DGFI এর সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) রেজ্জাকুল হায়দার বছরের পর বছর কারাগারে ছিলেন। তখন কিন্তু সেনাবাহিনী ও বিচারব্যবস্থাকে এইভাবে মুখোমুখি হতে দেখিনি...?
লেখক: গণমাধ্যমকর্মী
(লেখকের ফেসবুক পেজ থেকে সংগৃহীত)
স্বদেশ প্রতিদিন/এনআর