রবিবার ● ১১ অক্টোবর ২০২৬
   
শিরোনাম:
● দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও বাস্তবতা      ● ময়লা ফেলা নিয়ে ভাবি-ভাস্তেকে কুপিয়ে জখম      ● জমজমাট চারার হাট, দেশের বিভিন্ন জেলায় যাচ্ছে চারা      ● অর্থাভাব বা বৈষম্যে থামবে না মেয়েদের স্বপ্ন: তারেক রহমান      ● চারজনকে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় আটক ১      ● পূজা মণ্ডপের নিরাপত্তা ও নাগরিক সুবিধায় বিশেষ উদ্যোগ      ● নির্মাণস্থলে ধুলিদূষণ নিয়ন্ত্রণে রিহ্যাবকে মন্ত্রীর নির্দেশনা      ● চুরির অভিযোগে গণপিটুনি, হতাহত ২      ● যবিপ্রবিতে নজরকাড়া ‘লুঙ্গি প্যারেড’      ● এএসআই হাবিবুর রহমান খানের শ্রেষ্ঠত্ব পুরস্কার      ● ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন      ● ৫ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ       
দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও বাস্তবতা
​আব্দুস সোবাহান
প্রকাশ: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৩৮ পিএম

দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে বাংলাদেশের অবস্থানকে কেবল একটি জনবহুল রাষ্ট্রের ভৌগোলিক পরিচয়ে সীমাবদ্ধ রাখা যায় না। ইতিহাস, ভূগোল, অর্থনীতি, নদীর প্রবাহ, সমুদ্র এবং আঞ্চলিক যোগাযোগ—এসবের সম্মিলিত প্রভাবে বাংলাদেশ আজ দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এক অপরিহার্য সংযোগস্থল। তিন দিকে ভারতবেষ্টিত হলেও দক্ষিণে রয়েছে বঙ্গোপসাগরের উন্মুক্ত জলপথ। ফলে বাংলাদেশ একই সঙ্গে স্থলভিত্তিক দক্ষিণ এশিয়া এবং সমুদ্রনির্ভর বৃহত্তর ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত।

আজকের বৈশ্বিক রাজনীতিতে বঙ্গোপসাগরের কৌশলগত তাৎপর্য উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। ভারত, চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানসহ প্রধান পরাশক্তিগুলোর অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক আগ্রহ এই অঞ্চলে ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে উঠছে। এই বাস্তবতায় বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান যেমন অপার সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে, তেমনি এক সূক্ষ্ম ও জটিল কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার চ্যালেঞ্জও তৈরি করেছে।

বাংলাদেশের ভূরাজনৈতিক ভিত্তি কোনো সাম্প্রতিক ঘটনা নয়; এটি ঐতিহাসিক বঙ্গভূমির এক অবিচ্ছেদ্য উত্তরাধিকার। প্রাচীনকাল থেকেই বঙ্গ ছিল নদী ও সামুদ্রিক বাণিজ্যের প্রধান কেন্দ্র। গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা অববাহিকা বঙ্গকে ভারতীয় উপমহাদেশের অভ্যন্তরীণ অঞ্চলের সঙ্গে এবং বঙ্গোপসাগর তাকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সামুদ্রিক পথগুলোর সঙ্গে যুক্ত করেছিল। কলকাতা, ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও আসামকে ঘিরে গড়ে ওঠা নদী, সড়ক ও রেলপথের যোগাযোগকাঠামো একসময় বৃহত্তর পূর্ব ভারতের অর্থনীতিকে একসূত্রে গেঁথে রেখেছিল। ১৯৪৭ সালের দেশভাগ সেই ঐতিহাসিক যোগাযোগব্যবস্থাকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়, যা পরবর্তী দশকগুলোতে সীমান্ত ও রাজনৈতিক বিভাজনের কারণে আরও গভীর রূপ নেয়। তবে ঐতিহাসিকভাবে বঙ্গের সেই সংযোগকারী ভূমিকাটিই আজকের আঞ্চলিক রাজনীতিতে নতুন আঙ্গিকে ফিরে আসছে।

১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক ইতিহাসে এক মৌলিক মোড় ঘুরিয়ে দেয়। পাকিস্তানের দুই অংশের ভৌগোলিক ও প্রশাসনিক কাঠামোর অবসান ঘটিয়ে ভারতীয় উপমহাদেশে শক্তির ভারসাম্যে এক নতুন বাস্তবতা তৈরি হয়। এটি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর নিরাপত্তা, মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ এবং বঙ্গোপসাগরে সামুদ্রিক প্রবেশাধিকারের মানচিত্র বদলে দেয়। ফলে বাংলাদেশের পূর্ণ সহযোগিতা ব্যতীত ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় আঞ্চলিক যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও জটিল।

বাংলাদেশের ভূরাজনৈতিক শক্তির অন্যতম প্রধান ভিত্তি বঙ্গোপসাগর। আধুনিক প্রেক্ষাপটে সমুদ্র কেবল বাণিজ্যের মাধ্যম নয়; বরং জ্বালানি, খাদ্য, মৎস্যসম্পদ, বন্দরকেন্দ্রিক অর্থনীতি ও বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলের এক অত্যন্ত সংবেদনশীল ক্ষেত্র। বঙ্গোপসাগর ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের সঙ্গে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াকে যুক্ত করেছে। এই প্রেক্ষাপটে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরের আধুনিকীকরণ, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ এবং ভবিষ্যৎ সামুদ্রিক অবকাঠামো উন্নয়ন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভূরাজনীতিকে সুদৃঢ় করছে, যা দেশকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যকার একটি উদীয়মান ‘লজিস্টিক হাব’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করছে।

দক্ষিণ এশিয়ার বর্তমান ভূরাজনীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হলো ভারত ও চীনের মধ্যকার ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতা। বাংলাদেশ এই সমীকরণের বাইরে থাকতে পারে না। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘ স্থলসীমান্ত, ঐতিহাসিক স্মৃতি ও গভীর অর্থনৈতিক-সামাজিক সম্পর্ক বিদ্যমান। অন্যদিকে, চীন বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন সহযোগী। ভারতের দৃষ্টিতে বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ মূলত সীমান্ত নিরাপত্তা, উত্তর-পূর্বাঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ এবং বঙ্গোপসাগরকেন্দ্রিক আঞ্চলিক কৌশলের কারণে। বিপরীতে, চীনের কাছে বাংলাদেশের তাৎপর্য মূলত বাণিজ্য সম্প্রসারণ, অবকাঠামোগত বিনিয়োগ এবং বঙ্গোপসাগরের মাধ্যমে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংযোগ নিশ্চিত করার মধ্যে নিহিত। এই পরিস্থিতিতে কোনো একটি পরাশক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা বাংলাদেশের জন্য চরম কৌশলগত ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। ভারতের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক অক্ষুণ্ণ রেখে চীনের অর্থনৈতিক সুবিধা গ্রহণ করা এবং একই সঙ্গে জাপান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সম্পর্কের বহুমুখী বিস্তার ঘটানোই বাংলাদেশের আসল বাস্তব স্বার্থ।

বাংলাদেশের মূল সম্ভাবনা সামরিক শক্তিতে নয়, বরং ভৌগোলিক সংযোগে। বাংলাদেশ ভারত, নেপাল ও ভুটানের জন্য বঙ্গোপসাগরে প্রবেশের স্বাভাবিক সেতু। অন্যদিকে, মিয়ানমারের মাধ্যমে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার উদীয়মান বাজারগুলোর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ রয়েছে। সড়ক, রেল, নৌপথ ও সমুদ্রবন্দরকে সমন্বিত করে একটি গতিশীল পরিবহনব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারলে বাংলাদেশ আঞ্চলিক বাণিজ্য ও লজিস্টিকসের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হতে পারে। সার্ক, বিমসটেক ও বিবিআইএন-এর মতো আঞ্চলিক কাঠামোকে কার্যকর করার মাধ্যমে এই সম্ভাবনাকে বাস্তব রূপ দেওয়া সম্ভব। তবে কেবল ভৌগোলিক অবস্থানই কোনো দেশকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে শক্তিশালী করে তোলে না। আধুনিক বন্দর, দক্ষ পরিবহনব্যবস্থা, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রশাসনিক নীতির ধারাবাহিকতা না থাকলে ভৌগোলিক সুবিধা অর্থনৈতিক সুফলে রূপান্তরিত হয় না।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম বড় পরীক্ষা হলো পরাশক্তিগুলোর ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতার মাঝে নিজস্ব জাতীয় স্বার্থকে রক্ষা করা। এখানে প্রধান লক্ষ্য কোনো দেশের পক্ষ নেওয়া নয়, বরং কোন ধরনের সহযোগিতা বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করবে, তা নির্ধারণ করা। অর্থনৈতিক উন্নয়ন, প্রযুক্তি, অবকাঠামো, জ্বালানি ও নিরাপত্তার মতো প্রতিটি ক্ষেত্রে স্বাধীন ও বাস্তববাদী কূটনীতি অনুসরণ করা প্রয়োজন। কৌশলগত স্বাধীনতা ধরে রাখার অর্থ কোনো রাষ্ট্র থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া নয়, বরং একাধিক আন্তর্জাতিক অংশীদারের সঙ্গে ভারসাম্য রেখে নিজের সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা অক্ষুণ্ণ রাখা।

বাংলাদেশের ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় মিয়ানমার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু জটিল প্রতিবেশী। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্ত মিয়ানমারের সঙ্গে যুক্ত এবং এই ভূখণ্ডই বাংলাদেশকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দ্বারে পৌঁছে দিয়েছে। তবে মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ অস্থিতিশীলতা, সীমান্ত সংঘাত এবং বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করছে। রোহিঙ্গা সংকটকে কেবল মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে এর ভূরাজনৈতিক গভীরতা উপেক্ষিত হয়। রাখাইনের অস্থিতিশীলতা বাংলাদেশের সীমান্ত নিরাপত্তা এবং বঙ্গোপসাগরীয় পরিবেশের ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলছে। তাই এই সংকট সমাধানে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শক্তিগুলোকে যুক্ত করে কৌশলগত কূটনৈতিক তৎপরতা চালানো বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত জরুরি।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বাংলাদেশের ভূরাজনৈতিক বাস্তবতার আরেকটি সংকটময় দিক। বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চল প্রাকৃতিক দুর্যোগ, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও নদীভাঙনের তীব্র ঝুঁকির মুখে রয়েছে। ফলে জাতীয় নিরাপত্তাকে কেবল সামরিক দৃষ্টিতে দেখা যথেষ্ট নয়; খাদ্য, পানি, জ্বালানি ও জলবায়ু অভিবাসনের বিষয়গুলো ভবিষ্যৎ রাজনীতিকে গভীরভাবে প্রভাবিত করবে। বাংলাদেশ যদি বিশ্বমঞ্চে জলবায়ু কূটনীতিতে কার্যকর নেতৃত্ব দিতে পারে, তবে তা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের নৈতিক অবস্থানকে সুদৃঢ় করার পাশাপাশি কৌশলগত সুবিধাও এনে দেবে।

ভূরাজনৈতিক সুবিধাকে বাস্তব রাষ্ট্রশক্তিতে রূপান্তর করতে হলে বাংলাদেশকে সামুদ্রিক অর্থনীতি বা ব্লু-ইকোনমিকে শক্তিশালী করতে হবে, বন্দরগুলোকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে হবে এবং ভারত, নেপাল, ভুটান ও মিয়ানমারের সঙ্গে বহুমুখী যোগাযোগের সংযোগসূত্র রচনা করতে হবে। একই সঙ্গে পক্ষভিত্তিক রাজনীতির বাইরে গিয়ে জাতীয় স্বার্থকেন্দ্রিক ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতি চর্চা এবং বিমসটেকের মতো সংস্থাকে সক্রিয় করা আবশ্যক। সর্বোপরি, এই সব ভৌগোলিক সুবিধাকে অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত করার প্রধান পূর্বশর্ত হলো অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, দক্ষ প্রশাসন ও নীতির ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা।

ভূরাজনৈতিক মর্যাদা কখনো দেশের আয়তন দিয়ে নির্ধারিত হয় না। ইতিহাস বঙ্গকে যে সংযোগকারী ভূগোল দিয়েছিল, আধুনিক বাংলাদেশ সেই ঐতিহ্যের ধারক। বঙ্গোপসাগরকে কেন্দ্র করে বৈশ্বিক শক্তির যে নতুন মেরুকরণ ঘটছে, তাতে বাংলাদেশ এক অত্যন্ত প্রভাবশালী অনুঘটক। কোনো বৃহৎ শক্তির ছায়াতলে অবস্থান না নিয়ে, নিজস্ব ভৌগোলিক সুবিধা এবং স্বাধীন ও বহুমাত্রিক পররাষ্ট্রনীতির মাধ্যমে একটি মর্যাদাপূর্ণ আঞ্চলিক শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করাই বাংলাদেশের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত। ভূগোল দেশকে সম্ভাবনা দিয়েছে, এখন দূরদর্শী প্রজ্ঞা ও বাস্তবমুখী নীতির মাধ্যমে সেই সম্ভাবনাকে সমৃদ্ধিতে রূপান্তর করার দায়িত্ব বাংলাদেশের।






স্বদেশ প্রতিদিন/এফএইচ






Loading...
Loading...
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close