গত সোমবার অনুষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নির্বাচন। এবারের বিসিবি নির্বাচনে সভাপতি পদে লড়াইয়ের কথা ছিল তামিম ইকবালের। তবে শেষ পর্যন্ত সাবেক এই অধিনায়ক নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। তার সঙ্গে সরে দাঁড়ান ঢাকার ক্লাব সংগঠকদের বড় একটি অংশও। তামিম ইকবাল জানান, একা নির্বাচন করলে তিনিও পাস করতেন। তবে নির্বাচনের নামে সিলেকশন চাননি। তাই সরে দাঁড়িয়েছেন।
আজ বুধবার (৮ অক্টোবর) আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে করেন তারা। যেখানে উপস্থিত ছিলেন তামিম ইকবালও।
আমি মনে করি না এটা কোনো ইলেকশন ছিলো উল্লেখ করে তামিম বলেন, “নির্বাচনে সবচেয়ে হাস্যকর যে বিষয়টা লেগেছে সেটা হলো ক্যাটাগরি ২–এ ৪২ ভোট পড়েছে, যার মধ্যে ৩৪টি ই-ভোট হয়েছে, যারা ই-ভোট দিয়েছে তাদেরকেও সেন্টারে দেখেছি। তাহলে কথা হলো তারা কেন ই-ভোট দিলো, ই-ভোট দেয়ার রুলস হলো যারা স্বশরীরে আসতে পারবে না তাদের জন্য, তাহলে এমন ভোটের মোটিভটা কী? আপনি ই-ভোটিং করছেন আবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সেন্টারেই থাকছেন তাহলে ই-ভোট করার দরকার কী ছিলো?”
আমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিলো একটি ফেয়ার ইলেকশন হওয়া উল্লেখ করে তামিম বলেন, “আমি এটা গ্যারান্টি দিয়ে বললাম, আমি স্বতন্ত্র হিসেবেও যদি দাঁড়াতাম আমার পক্ষে কোনো টিম আছে, আমার বিপক্ষে কোনো টিম আছে, তারপরও আমি সহজে পাস করতাম। এটা নিয়ে আমার কোনো সন্দেহ ছিল না। আপনি কি মনে করেন ১৫ ক্লাব থাকুক আর না থাকুক আমার জন্য কেউ ভোট করত না? আমার জন্য (নির্বাচনের) বাস ধরা না ধরা কোনো অপশন ছিল না।”
কিছু অলিখিত রুলস থাকে, আমি সেগুলো ভাঙতে চাই না উল্লেখ করে তিনি বলেন, “সমঝোতার সঙ্গে আমরা একমত ছিলাম না বলেই তো আমরা বের হয়ে এসেছি। উনারা যেটা সঠিক মনে করেছেন, সেটাই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এটা নিয়ে কোনো ধরনের অভিযোগ নেই। কিন্তু আজকে আপনারা যে স্টেটমেন্ট দিচ্ছেন, এই স্টেটমেন্টটাই রাখবেন। ভবিষ্যতে যদি কোনো কিছু হয়, স্টেটমেন্ট বদলে ফেলে আমাদের সঙ্গে এসে বসে যাবেন না।”
এদিকে আজ বিদ্রোহ করেছে ৪৮টি ক্লাব। বিসিবি নির্বাচন স্থগিত না করায় সব ধরনের ক্রিকেট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন তারা। পাশাপাশি তারা আমিনুল ইসলাম বুলবুলকে অবৈধ সভাপতি দাবি করেছেন।