প্রকাশ: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০০ পিএম

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবইয়ে ছবি ব্যবহার নিয়ে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। ষষ্ঠ শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বইয়ে ‘প্রজ্ঞা’ বোঝাতে দাঁড়িপাল্লার ছবি ব্যবহারের পর এবার প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরের বাংলা, ইংরেজি ও বিজ্ঞান বইয়ে নৌকার ছবি নিয়ে আপত্তি উঠেছে। একই সঙ্গে বই ছাপার ধীরগতি, নিম্নমানের কাগজ ব্যবহারের অভিযোগ এবং দরপত্রে অনিয়মের বিতর্কে আগামী জানুয়ারির মধ্যে সব শিক্ষার্থীর হাতে বই পৌঁছানো নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) তথ্য অনুযায়ী, মাধ্যমিক স্তরের মোট বইয়ের মাত্র ২৮ দশমিক ৩২ শতাংশের প্রি-ডেলিভারি ইন্সপেকশন (পিডিআই) সম্পন্ন হয়েছে। ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির ১৭ কোটি ৯৫ লাখের বেশি বইয়ের মধ্যে ছাপা ও বাঁধাই শেষ হয়েছে প্রায় ৭ কোটি ৬৫ লাখের। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, নবম ও দশম শ্রেণির বই ছাপার কাজ সবচেয়ে পিছিয়ে। নিম্নমানের কাগজে ছাপার চেষ্টার অভিযোগে প্রায় ১০ লাখ ফর্মা নষ্ট করা হয়েছে এবং প্রাথমিক স্তরের ৩ হাজার ৩৩৪টি বই বাতিল করা হয়েছে।
দরপত্রে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে প্রায় ২০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। তবে ৩৪টি লটে পুনঃদরপত্রের মাধ্যমে সরকারের প্রায় ৯ কোটি ৩৭ লাখ টাকা সাশ্রয় হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা বলেছেন, ভুলত্রুটি দ্রুত সংশোধন করা হচ্ছে এবং নির্ধারিত সময়ে মানসম্মত বই পৌঁছে দিতে সংস্থাটি কঠোর অবস্থানে রয়েছে। অন্যদিকে, বইয়ের ছবি নিয়ে বিতর্কে সংশোধনের দাবি উঠলেও সংশ্লিষ্টদের মতে, সব বই নতুন করে ছাপতে হলে সময় ও ব্যয় দুটোই বাড়তে পারে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি