প্রকাশ: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:২২ পিএম

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের সাহায্যে ছবি তৈরি করে আয়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে। বিজ্ঞাপনের নকশা, বইয়ের প্রচ্ছদ, কার্টুন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রচারচিত্র কিংবা ডিজিটাল পণ্য তৈরিতে এসব ছবি ব্যবহার করা যায়। তবে শুধু ছবি তৈরি করলেই আয় নিশ্চিত নয়; প্রয়োজন নকশার দক্ষতা, ছবির মান যাচাই এবং ক্রেতার চাহিদা বোঝার সক্ষমতা।
এআই দিয়ে আয় করার কয়েকটি উপায় রয়েছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপনের ছবি ও প্রচারচিত্র তৈরি, গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী বইয়ের প্রচ্ছদ বা বিশেষ নকশা তৈরি, ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মে কাজ করা এবং ছবি বিক্রির ওয়েবসাইটে নকশা জমা দেওয়া এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য। পাশাপাশি এআইয়ের সাহায্যে দেয়ালসজ্জার ছবি, ক্যালেন্ডার, শুভেচ্ছাকার্ড, টি-শার্ট ও মগের নকশা তৈরি করে বিক্রি করা যায়। তবে প্রতিটি প্ল্যাটফর্মের এআই-সংক্রান্ত নীতিমালা আলাদা। যেমন, অ্যাডোবি স্টক নির্দিষ্ট শর্তে এআই দিয়ে তৈরি ছবি গ্রহণ করে, অন্যদিকে শাটারস্টক সাধারণ অবদানকারীদের কাছ থেকে এ ধরনের ছবি গ্রহণ করে না।
কাজ শুরু করতে প্রথমে একটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্র বেছে নেওয়া, ছবি তৈরির সরঞ্জাম শেখা এবং কার্যকর নির্দেশনা লেখার দক্ষতা বাড়ানো জরুরি। এআইয়ের তৈরি ছবিতে ত্রুটি থাকলে তা সম্পাদনার মাধ্যমে সংশোধন করতে হবে। এরপর সেরা ১০ থেকে ১৫টি নকশা দিয়ে পোর্টফোলিও তৈরি করে সম্ভাব্য ক্রেতার কাছে পৌঁছানো যেতে পারে। শুরুতে ছোট কাজ দিয়ে দক্ষতা ও বাজারের চাহিদা যাচাই করা ভালো।
এআই দিয়ে ছবি তৈরি করে মাসে কত টাকা আয় করা যাবে, তার নির্দিষ্ট হিসাব নেই। আয় নির্ভর করে কাজের মান, ক্রেতার চাহিদা, প্রতিযোগিতা, প্রচারণা ও বিক্রির মাধ্যমের ওপর। এ ছাড়া ছবি তৈরির সরঞ্জামের বাণিজ্যিক ব্যবহারের শর্ত এবং কপিরাইট নীতিমালা মেনে চলা জরুরি। অন্যের ছবি, অনুমতি ছাড়া ব্যবহৃত চরিত্র বা প্রতিষ্ঠানের লোগো নকল করে বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি করলে আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি