প্রকাশ: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:২৪ পিএম আপডেট: ২৫.১০.২০২৬ ৪:২৭ PM

গাইবান্ধা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গত নয় মাসে ৬ হাজার ৮৪৯টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে সিআর, জিআরসহ বিভিন্ন মামলা। এটি গাইবান্ধার ইতিহাসে রেকর্ডসংখ্যক। গাইবান্ধা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নাজির মো. রেজাউল করিম সরকার এ তথ্য জানান।
তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি তারিখে গাইবান্ধা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রারম্ভিক বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ছিল ১৮ হাজার ৯৫৬টি। ওই সময় থেকে সেপ্টেম্বর মাসের ৩০ তারিখ পর্যন্ত নয় মাসে দায়েরকৃত মামলার সংখ্যা ৭ হাজার ৭৮৩টি। এছাড়া জেলা জজ আদালত থেকে এনআই অ্যাক্টের ১৩৮ ধারার ৫ লাখ টাকার নিম্নে বদলিসূত্রে প্রাপ্ত মামলাসহ অত্র আদালতের বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ২০ হাজার ২১৩টি। একই সময়ে উক্ত মামলাগুলো থেকে বিচারের জন্য বিভিন্ন আদালতে বদলিকৃত মামলার সংখ্যা ২১ হাজার ৯৭টি। বর্তমানে গাইবান্ধা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৯ হাজার ৬টি মামলা বিচারাধীন আছে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, গাইবান্ধা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো সংকট ও বিচারক সংকট রয়েছে। চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটসহ ১১টি পদ থাকলেও ৪টি পদ শূন্য আছে। বর্তমানে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৭ জন বিচারক কর্মরত আছেন। বিচারসংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তি জানান, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে গাইবান্ধায় যোগ দেওয়ার পর অনেক মামলার জট কমেছে। জেলার ইতিহাসে যা রেকর্ডসংখ্যক।
গাইবান্ধা কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক হিপজুর আলম মুন্সী বলেন, নির্ধারিত দিনে সাক্ষী না আসায় মামলা নিষ্পত্তিতে বিলম্ব হয়। কিন্তু চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারকদের তাগাদার কারণে আদালতে সময়মতো সাক্ষী উপস্থাপন নিশ্চিত করা হয়েছে। ফলে নয় মাসে এত মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি হয়েছে।
এ ব্যাপারে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মিজান বলেন, সম্প্রতি চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা নিষ্পত্তির হার বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে বিচারপ্রার্থীরা উপকৃত হচ্ছেন।
স্বদেশ প্রতিদিন/এফএইচ