
শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে ঢাকাই সিনেমার তিনটি ছবি। এগুলো হলো—‘স্নেহের বন্ধন’, ‘কাটপিস’ ও ‘চিরকুট’। আগামী ১৬ অক্টোবর ছবিগুলো মুক্তির কথা রয়েছে। তবে ‘চিরকুট’ শুধু সিনেপ্লেক্স ও মাল্টিপ্লেক্সে প্রদর্শিত হবে।
তিনটি সিনেমাতেই ঢাকাই চলচ্চিত্রের নিয়মিত তারকাদের উপস্থিতি নেই। তারকানির্ভরতার বদলে গল্প, অভিনয় ও নির্মাণের ওপর ভর করে দর্শকদের কাছে পৌঁছানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে ছবিগুলো।
‘স্নেহের বন্ধন’
কামরুজ্জামান পরিচালিত ‘স্নেহের বন্ধন’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন জয় চৌধুরী ও মৌ খান। আগামী ১৬ অক্টোবর ছবিটি মুক্তি পাবে বলে জানিয়েছেন নায়ক জয় চৌধুরী, যিনি শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদকও।
ছবিটির মুক্তি প্রসঙ্গে জয় চৌধুরী বলেন, ‘যত বড় সিনেমাই আসুক না কেন, ব্যবসা কেমন হবে বা দর্শক কীভাবে গ্রহণ করবে, সেটা আগে থেকে কেউ বলতে পারে না। ঈদ ছাড়া এখন সিনেমা মুক্তি দেওয়া অনেক বড় সাহসের ব্যাপার। এ ক্ষেত্রে আমার প্রযোজক সাহসের পরিচয় দিয়েছেন।’
‘কাটপিস’
ইফফাত জাহান মম নির্মিত ও প্রযোজিত ‘কাটপিস’ সিনেমার গল্প আবর্তিত হয়েছে গার্মেন্টসের ঝুট ব্যবসাকে কেন্দ্র করে। অর্থ, ক্ষমতা, আধিপত্য ও সংঘাতের পাশাপাশি এতে উঠে এসেছে পারিবারিক আবেগ ও সম্পর্কের নানা দিক।
ইতিমধ্যে সিনেমাটির একটি আইটেম গান প্রকাশিত হয়েছে। এতে অভিনয় করেছেন শিফাত আমিন শুভ, নানজীবা তোরসা, ইমরান আহমেদ সওদাগর, বাপ্পী আশরাফ, সাইফুল কবির ও এলিনা শাম্মী। ছবিটিও আগামী ১৬ অক্টোবর মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।
‘চিরকুট’
মুনতাসির আকিব পরিচালিত ‘চিরকুট’ সিনেমার গল্পের পটভূমি নব্বইয়ের দশকের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। তারুণ্যের উচ্ছ্বাস, বন্ধুত্ব, নস্টালজিয়া, প্রেম ও জীবনের নানা অভিজ্ঞতা নিয়ে সাজানো হয়েছে ছবিটির গল্প।
সিনেমাটির গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন শ্যামল মাওলা, আজিজুন মীম, কাজী নওশাবা আহমেদ, সুমন পাটোয়ারী, আব্দুল্লাহ আল সেন্টু, সঞ্জিব আহমেদ, শাওন আশরাফ, ইকবাল, আজমল মিঠু, সিয়াম নাসির, শিমুল, সাদি খান, শামীম আহসান, শেখ চাঁদনী, মাহিরা হাসান ও ইব্রাহিম সুজন।
দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ১৬ অক্টোবর ছবিটি মুক্তি পাবে। তবে এটি শুধু সিনেপ্লেক্স ও মাল্টিপ্লেক্সে প্রদর্শিত হবে।
পরিচালক মুনতাসির আকিব জানান, নব্বইয়ের দশকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘটে যাওয়া একটি সত্য ঘটনা থেকেই ‘চিরকুট’ সিনেমার গল্পের সূত্রপাত। সেই সময়ের পরিবেশ, মানুষের আবেগ ও ঘটনাটিকে চলচ্চিত্রের ভাষায় তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন তাঁরা। দর্শক যেন শুধু গল্প না দেখেন, বরং একটি সময়কে অনুভব করতে পারেন—এটাই তাঁদের লক্ষ্য।
স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি