প্রকাশ: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৩০ পিএম

ডায়াবেটিসের কারণে পায়ের স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হলে ধীরে ধীরে পায়ের অনুভূতি কমে যেতে পারে। ফলে পায়ে ক্ষত বা আঘাত হলেও অনেক সময় তা রোগীর নজরে আসে না। এ সমস্যাকে বলা হয় ‘ডায়াবেটিক পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি’। এই পরিবর্তন শনাক্ত করতে ব্যবহার করা যায় ‘ভাইব্রাসেন্স’ নামের ছোট একটি যন্ত্র।
পরীক্ষার সময় পায়ের নির্দিষ্ট স্থানে যন্ত্রটির কম্পনদণ্ড রাখা হয়। এরপর নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় কম্পন প্রয়োগ করা হয়। রোগী কখন কম্পন অনুভব করছেন, তার ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হয় তাঁর কম্পন অনুভূতির সীমা।
খুব হালকা কম্পন থেকে পরীক্ষা শুরু করে রোগী যে পর্যায়ে প্রথম কম্পন অনুভব করেন, সেই মাত্রাটি নথিভুক্ত করা হয়। স্নায়ুর অনুভূতি কমে গেলে সাধারণত কম্পন অনুভব করতে তুলনামূলক বেশি মাত্রার কম্পন প্রয়োজন হয়। ফলে পরীক্ষায় পাওয়া বেশি মান পায়ের স্নায়ুর সংবেদন কমে যাওয়ার ইঙ্গিত দিতে পারে।
পরীক্ষার ফলাফল সংরক্ষণ করা যায় এবং পরবর্তী পরীক্ষার ফলাফলের সঙ্গে তুলনা করে স্নায়ুর অবস্থার পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব। একবার পুরোপুরি চার্জ দিলে যন্ত্রটি ৭০ বারের বেশি পরীক্ষা চালানো যায়।
সাধারণত চিকিৎসকেরা এই যন্ত্র ব্যবহার করে থাকেন। তবে অনেকে বাড়িতে ব্যবহারের জন্যও এটি কিনে থাকেন।
বাংলাদেশি টাকায় ভাইব্রাসেন্স যন্ত্রটির আনুমানিক দাম ৫৪ হাজার ৫০০ টাকা। তবে আমদানি, বিক্রেতা ও অন্যান্য খরচের ওপর নির্ভর করে বাংলাদেশে এর দাম কমবেশি হতে পারে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এফএইচ