মঙ্গলবার ● ৬ অক্টোবর ২০২৬
   
শিরোনাম:
● নিজের পরিচয় দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চমকে দিল জাইমা      ● সুগার মিলে টেন্ডার নিয়ে কৃষকদের ক্ষোভ      ● বল ভেবে ককটেল হাতে      ● বিশ্ববাজারে কমছে অপরিশোধিত তেলের দাম      ● আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ড ফ্যাসিবাদ আমলের চরম উদাহরণ: অ্যাটর্নি জেনারেল      ● র‍্যাশ ছাড়াই দীর্ঘদিন চুলকানি হলে সতর্কতা      ● এআই যেন নতুন বৈষম্য তৈরি না করে: আইসিটি মন্ত্রী      ● ২০২৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন ফ্রান্সিস হ্যালজেন      ● জাপান টেক ইন্টার্নশিপ ক্যারিয়ার ইভেন্ট অনুষ্ঠিত      ● শিশুদের শৈশব হতে হবে নিরাপদ ও সুরক্ষিত: ডা. জুবাইদা      ● মৎস্য খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর পাশাপাশি অপচয় বন্ধ করতে হবে      ● এআই চ্যাটবটে অতিরিক্ত নির্ভরতা কি কমাচ্ছে মানুষের চিন্তাশক্তি?      
বিড়ালের সঙ্গে সুখের সম্পর্ক কী, যা জানা গেল গবেষণায়
স্বদেশ ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৫৭ পিএম আপডেট: ০৬.১০.২০২৬ ৪:১৩ PM

বাড়িতে একটু বেশি আনন্দ চাইলে একটি বিড়াল পোষার কথা ভাবা যেতে পারে। নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব দেশে বিড়ালের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি, সেসব দেশের মানুষ নিজেদের জীবন নিয়ে বেশি সুখী বলে জানিয়েছেন। তবে গবেষকেরা বলছেন, এর অর্থ এই নয় যে বিড়াল পোষার কারণেই মানুষ বেশি সুখী হন।

সম্প্রতি গবেষণা জার্নাল পিএলওএস ওয়ান-এ প্রকাশিত এই গবেষণায় ৯৩টি দেশের তথ্য বিশ্লেষণ করেছেন একদল গবেষক। তারা মানুষের সুখের মাত্রার সঙ্গে বাড়িতে বিড়াল পোষার হার এবং টক্সোপ্লাজমা গন্ডি নামের একটি পরজীবীর সংক্রমণের কোনো সম্পর্ক আছে কি না, তা খতিয়ে দেখেছেন।

টক্সোপ্লাজমা গন্ডি এমন একটি পরজীবী, যা পৃথিবীর প্রায় প্রতি তিনজন মানুষের একজনের শরীরে থাকতে পারে। বিড়াল এই পরজীবীর প্রধান বাহক। বেশিরভাগ মানুষের ক্ষেত্রে এটির সংক্রমণ সাধারণত ক্ষতিকর নয় এবং কোনো লক্ষণও দেখা যায় না। তবে অপেক্ষাকৃত দুর্বল বা ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের ক্ষেত্রে এটি নানা সমস্যা তৈরি করতে পারে। বিভিন্ন গবেষণায় এ পরজীবীর সংক্রমণের সঙ্গে উদ্বেগ, বিষণ্ণতা ও সিজোফ্রেনিয়ার মতো মানসিক সমস্যার সম্পর্কের কথাও উঠে এসেছে।

গবেষণায় মানুষের সুখের সঙ্গে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার সম্পর্কও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। কারণ সুখী ও স্বচ্ছন্দ জীবনযাপনের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক অবস্থাকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে দেখা হয়।

গবেষণার একটি চমকপ্রদ ফল হলো, যেসব দেশে বিড়ালের সংখ্যা বেশি, সেসব দেশে টক্সোপ্লাজমা গন্ডি-র সংস্পর্শে আসার হার বরং কম। বিড়াল ছাড়াও বিভিন্নভাবে মানুষ এই পরজীবীতে আক্রান্ত হতে পারেন। তাই বিড়ালের সংখ্যা বেশি হলেই পরজীবীর সংক্রমণ বেশি হবে—এমন ধারণারও সমর্থন মেলেনি।

গবেষণার লেখকেরা বলেন, কয়েকটি দেশের তথ্য সামগ্রিক ফলাফলের ওপর তুলনামূলক বেশি প্রভাব ফেলতে পারে। উদাহরণ হিসেবে চীনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। দেশটিতে সুখের মাত্রা তুলনামূলক বেশি হলেও অন্যান্য অনেক দেশের তুলনায় বিড়ালের সংখ্যা কম।

গবেষক জাভিয়ের আই. বোরাজ-লিওন বলেন, ‘বেশি বিড়াল মানেই বেশি পরজীবীর সংক্রমণ—এই ধারণার সঙ্গে গবেষণায় তেমন সম্পর্ক পাওয়া যায়নি। বরং এখান থেকে বোঝা যায়, পোষা প্রাণী পালনের পদ্ধতি, পরিচ্ছন্নতা ও আর্থসামাজিক অবস্থার মতো বিষয়গুলোও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।’

গবেষকেরা মনে করছেন, মানুষের সুখের সঙ্গে শুধু অর্থনৈতিক বা সামাজিক বিষয় নয়, জৈবিক ও পরিবেশগত বিষয়ও সম্পর্কিত হতে পারে। তবে শুধু এই গবেষণার ভিত্তিতে বলা যায় না যে বিড়াল পুষলেই মানুষ বেশি সুখী হয় কিংবা টক্সোপ্লাজমা গন্ডি সংক্রমণের কারণে মানুষ কম সুখী হয়।

গবেষকদের মতে, বিষয়টি আরও ভালোভাবে বোঝার জন্য ভবিষ্যতে দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা প্রয়োজন। বিশেষ করে বিড়াল আছে এমন মানুষ এবং বিড়াল নেই এমন মানুষের ওপর দীর্ঘ সময় ধরে আলাদাভাবে গবেষণা করা হলে বিড়াল ও মানুষের সুখের সম্পর্ক আরও স্পষ্টভাবে বোঝা সম্ভব হবে।





স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি


আরও সংবাদ   বিষয়:  বিড়াল   সুখ   গবেষণা   টক্সোপ্লাজমা গন্ডি   পোষা প্রাণী   মানসিক স্বাস্থ্য   বিজ্ঞান   স্বাস্থ্য   পিএলওএস ওয়ান   প্রাণী  






Loading...
Loading...
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close