সোমবার ● ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
   
শিরোনাম:
● ট্রাইব্যুনালের কাছে ‘প্রোটেকশন’ চাইলেন প্রসিকিউটর      ● এমপিওভুক্তদের পে-স্কেল: পৃথক প্রজ্ঞাপন দেবে অর্থ মন্ত্রণালয়      ● বাংলাদেশকে প্রবৃদ্ধির কেন্দ্র হিসেবে দেখছে জাপান: জেট্রো      ● কৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ফেল করানো শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী      ● চীনের আধুনিকায়ন বুঝতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে তরুণ প্রজন্ম      ● অপরাধীদের আশ্রয় না দিয়ে হস্তান্তর করুন, ভারতকে দুদু      ● ক্রিকেট এগিয়ে নিতে ফোকাস চান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী      ● চিকিৎসা দিতে গিয়ে নিজেরাই ‘ঝুঁকিতে’ বদরগঞ্জের চিকিৎসক-নার্সরা      ● জুলাই-আগস্টে ঋণের কিস্তি-সুদে গেছে ৮ হাজার ৬২৬ কোটি      ● আল-আকসায় ইসরাইলিদের প্রবেশ ঘিরে বাড়ল নিরাপত্তা      ● মসজিদের টয়লেট থেকে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার      ● ৮১৭ প্রার্থীর নিয়োগপত্র নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী      
ট্রাইব্যুনালের কাছে ‘প্রোটেকশন’ চাইলেন প্রসিকিউটর
স্বদেশ ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৩০ পিএম

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের সময় আসামির কাঠগড়ায় থাকা সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম ও রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটরের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে। একপর্যায়ে ট্রাইব্যুনালের কাছে ‘প্রোটেকশন’ চেয়েছেন প্রসিকিউটর এবিএম সুলতান মাহমুদ।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের সময় এ ঘটনা ঘটে।

এদিন কারাগার থেকে ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন ও সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। পরে তাদের আসামির কাঠগড়ায় নেওয়া হয়। এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের চতুর্থ সাক্ষী হিসেবে হানিফ মিয়া জবানবন্দি দেওয়া শুরু করেন।

জবানবন্দির একপর্যায়ে হানিফ মিয়া জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর বাড্ডা-রামপুরা এলাকায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিষয়ে বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, ‘এসব অপরাধের জন্য ১৪ দলের নেতারা দায়ী। কারণ তিনি টিভিতে এই নেতাদের মিটিং করে আন্দোলনকারীদের দমন-পীড়ন চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা শুনেছিলেন।’

এরপর প্রসিকিউটর এবিএম সুলতান মাহমুদ সাক্ষীর কাছে ১৪ দলের নেতাদের নাম জানতে চান। এ সময় আসামিদের জন্য নির্ধারিত কাঠগড়ার কাচের ঘেরের ভেতর থেকে কামরুল ইসলাম প্রসিকিউটরের উদ্দেশে উচ্চস্বরে কথা বলেন।

কামরুল ইসলাম বলেন, ‘এভাবে বললে তো হবে না। আমার ৪০ বছরের ওকালতির ক্যারিয়ার। আপনি সাক্ষিকে দিয়ে জোর করে নাম বলাচ্ছেন?’

এর জবাবে সুলতান মাহমুদ বলেন, ‘আপনি এভাবে সাউট করেন কেন? আপনার কিছু বলার থাকলে আইনজীবীর মাধ্যমে বলবেন।’

একপর্যায়ে প্রসিকিউটর ট্রাইব্যুনালের উদ্দেশে বলেন, ‘মাই লর্ড, আমি প্রোটেকশন চাই।’

পরে আরেক প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম বলেন, তার মনে হয় সাক্ষী জবানবন্দিতে ভুল করেননি। তার ভাষ্য, সাক্ষী ১৪ দলের কথা বলায় প্রসিকিউশন তাদের নাম জানতে চেয়েছে।

এ সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী বিষয়টি আসামিদের শনাক্তকরণের সঙ্গে সম্পর্কিত উল্লেখ করে প্রশ্নের মাধ্যমে সাক্ষীকে নাম বলানো হচ্ছে কি না, সে বিষয়ে আপত্তি জানান। জবাবে প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম বলেন, এটি লিডিং প্রশ্ন নয়। এরপর সাক্ষী আবার জবানবন্দি দেওয়া শুরু করেন।

প্রসঙ্গত, গত ২৩ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে মামলাটির আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। ওইদিন রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়েছিল।




স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি



আরও সংবাদ   বিষয়:  আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল   ট্রাইব্যুনাল-১   এবিএম সুলতান মাহমুদ   প্রসিকিউটর   প্রোটেকশন   কামরুল ইসলাম   রাশেদ খান মেনন   মানবতাবিরোধী অপরাধ   জুলাই আন্দোলন   বাড্ডা-রামপুরা   হানিফ মিয়া   ১৪ দল  






Loading...
Loading...
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close