প্রকাশ: শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৯:১৮ পিএম আপডেট: ১৯.০৯.২০২৫ ৯:৪৩ PM

সাদিক আল আরমান
অনেক মানুষ মনে করেন জামায়াত ক্ষমতায় আসলে ইন্ডিয়া বাংলাদেশে রেজিম চেঞ্জ অপারেশন চালাবে এবং নেতাদের ভবলীলা সাঙ্গ করে দিবে.. কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে ইন্ডিয়া তা কখনোই করবে না। যদি ইন্ডিয়ার কিছু করারই থাকতো তাহলে ৫ আগস্টের পরেই করে দেখাতো...
ইন্ডিয়া কেন করবে না?
এর কারণ ইন্ডিয়ার নিজের দেশের মুসলমান -
ব্যাখ্যা করি..
কাশ্মীর নিয়ে ইন্ডিয়া ও পাকিস্তান ক্যাচাল ঐতিহাসিক
ভারতের অভ্যন্তরে মুসলমানরা মজলুম এবং এরা সুপ্ত আগ্নেয়গিরি হয়ে নিভু নিভু করে জলতেছে..
জুলুমের কারণে এরা চুপ করে আছে কিন্তু কিছু বলতে ও করতে পারে না যদি কখনো এরা বাতাস পায় বা মুসলিম জাতীয়তাবাদ জাগ্রত হয়ে উঠে ভারতে মারাত্মক ভাবে বিক্ষোভ শুরু হবে যা দেশটিকে অস্থিতিশীল করে তুলবে...
যদি কখনো ভারত বাংলাদেশে সামরিক আগ্রাসন চালায় বাংলাদেশের পক্ষে প্রফেশনালি লম্বা সময় প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে না। এর ফলাফল হবে দেশের ইয়াং মেজর ক্যাপ্টেনরা ভিন্ন ভিন্ন এলাকায় মিলিশিয়া গ্রুপ সৃষ্টি করবে এবং প্রতিরোধ গড়ে তুলবে সাথে যোগ দিবে দেশ প্রেমিক বাংলাদেশি হিন্দু ও মুসলিম নওয়াজোয়ানরা। আমি দায়িত্ব নিয়ে বলছি অনেক হিন্দু এই যুদ্ধে বাংলাদেশের পক্ষে অবস্থান নিবে..
শুরু হবে অনন্তকালের জন্য গেরিলা যুদ্ধের...
পাকিস্তান স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই লড়াইয়ে জড়িয়ে যাবে এবং তখন বাংলাদেশ থেকে বিশ্বের বিভিন্ন মুসলিম দেশের কাছে সাহায্য চাওয়া হবে এবং তারা করবে..
এরফলে সমগ্র ভারতবর্ষে মুসলিম জাতীয়তাবাদ জাগ্রত হবে এবং গৃহযুদ্ধ ছড়িয়ে পড়বে.. যা ভারতকে খান খান করে দিবে একমাত্র বাকী থাকবে পরমানবিক যুদ্ধ এবং তা যদি শুরু হয় তার পরিণতি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধে রূপ নিবে...
সোজা বাংলা -ভারত বাংলাদেশে সামরিক আগ্রাসন চালাতে পারবে না তার নিজের স্থিতিশীলতা ও দেশ রক্ষার জন্য..
ইউএস’র কাছে বাংলাদেশ এমন কোনো সুপার পাওয়ার দেশ না যা ইউএসের জন্য থ্রেড। তাই তাদের সাথে নেগোসিয়েশন করলে তারা অন্য যে কাউকে সাথে নিয়ে দেশ চালাতে চাইলে ঝামেলা করবে না...
বাংলাদেশে যদি জামায়াতের উথান হয় এটা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ তৈরী করবে আরব দেশসমূহে। তাই বলা যায় আরবরা কখনো চাইবেনা জামায়াত এইখানে ক্ষমতায় আসুক...
লেখক: সদস্য, নির্বাচন সংস্কার কমিশন।
(লেখকের ফেসবুক পেজ থেকে সংগৃহীত)
স্বদেশ প্রতিদিন/এনআর