প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই, ২০২৫, ৬:০৪ পিএম

সংগৃহীত ছবি
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন স্বাধীন ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান।
আজ মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মোজাফফর আহমদ চৌধুরী অডিটরিয়ামে সেন্টার ফর পলিসি অ্যানালাইসিস অ্যান্ড রিফর্ম কর্তৃক আয়োজিত ‘তথ্য-চালিত অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ : ২০৩৫ রূপকল্প’ শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।
বিএনপির সিনিয়র এই নেতা বলেন, “টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন স্বাধীন ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান। বিশেষ করে ক্যাপিটাল মার্কেট, ফাইন্যান্সিয়াল সেক্টর এবং ডেটা কালেকশন প্রক্রিয়ায় পেশাদারি ও স্বচ্ছতা অপরিহার্য। ব্যাংকগুলোতে স্বল্পমেয়াদি আমানতের বিপরীতে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ দেওয়ার যে মিসম্যাচ হয়েছে, তা অর্থনীতির জন্য ভয়ংকর সংকেত।”
তিনি বলেন, ‘‘ক্যাপিটাল মার্কেটের বিকাশে সরকারি নিয়ন্ত্রণ ও দলীয়করণ যত কমানো যাবে, তত ভালো। অথচ বিএনপি আমলে বাংলাদেশ ব্যাংক ও শেয়ারবাজারে পেশাদার লোক নিয়োগ দেওয়ায় বড় কোনো দুর্নীতি বা স্ক্যামের ঘটনা ঘটেনি।’’
তিনি আরো বলেন, ‘‘বর্তমানে দেশের উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় তথ্যের গুরুত্ব অপরিসীম। আজকের বিশ্বে যার কাছে যত বেশি তথ্য, সে তত বেশি ক্ষমতাবান। অথচ বাংলাদেশে তথ্যনির্ভর নীতি গ্রহণ ও প্রয়োগে এখনো স্পষ্ট দুর্বলতা রয়েছে। ডেটানির্ভর, স্বচ্ছ ও দক্ষ প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তুলতে না পারলে দেশের উন্নয়ন শুধু কাগজে-কলমেই থাকবে, বাস্তবে নয়। এ জন্য সবচেয়ে জরুরি হলো রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং পেশাদারি।”
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘‘বর্তমান সময়ে তথ্যকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করে দেশের বাস্তবতা আড়াল করা হচ্ছে। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার জনসংখ্যার সংখ্যা ইচ্ছাকৃতভাবে কম দেখিয়ে পার ক্যাপিটাল আয় বাড়িয়ে দেখানোর যে চেষ্টা করেছে, তা শুধু ভ্রান্তিই নয়। বরং দেশের ভবিষ্যতের সঙ্গে প্রতারণা। ফলে বিবিএসের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের ডেটার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যা একটি দেশের নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ার জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক।”