প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৮ জুলাই, ২০২৫, ৮:১০ পিএম

আগামী ২ অক্টোবর থেকে বাংলাদেশ সচিবালয়ে সিঙ্গেল ইউজ বা একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক সামগ্রীর ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হবে। মঙ্গলবার (৮ জুলাই) অর্থ বিভাগের মাল্টিপারপাস হল রুমে অনুষ্ঠিত একটি সেমিনারে এই ঘোষণা দেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের আয়োজিত “সাসটেইনেবল প্লাস্টিক ইউজ ইন দ্য সেক্রেটারিয়েট: আ ফিউচার ফর সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক ফ্রি এনভায়রনমেন্ট” শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসজুড়ে সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রস্তুতির সুযোগ দেওয়া হবে এবং সংশ্লিষ্টদের প্লাস্টিক ব্যবহার কমাতে নির্দেশনা দেওয়া হবে।”
তিনি আরও বলেন, “প্লাস্টিক দূষণ একটি বৈশ্বিক সমস্যা। এ সমস্যা সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে একযোগে কাজ করতে হবে। মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকেও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় আনতে হবে। শুধু নিজের স্বার্থেই নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আমাদের এই পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে যাতে আমরা তাদের জন্য একটি নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব পৃথিবী রেখে যেতে পারি।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন পরিবেশ সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ। তিনি জানান, সচিবালয়কে পরিবেশবান্ধব করতে সব মন্ত্রণালয়ের সম্মিলিত প্রচেষ্টায়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন অর্থ বিভাগের সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব মো. নজরুল ইসলাম এবং ইউএনআইডিও-র (জাতিসংঘ শিল্প উন্নয়ন সংস্থা) কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. জাকি উজ জামান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (পরিবেশ) ড. ফাহমিদা খানম।
অনুষ্ঠানে পরিবেশ সচিব মন্ত্রিপরিষদ সচিবের হাতে ১৭ ধরনের সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক সামগ্রীর তালিকা দেন।
ইতিমধ্যে, পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে ১৭ ধরনের সামগ্রীকে সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের তৈজসপত্র, চকলেটের মোড়ক, প্লাস্টিকের দাওয়াত কার্ড ও ব্যানার, স্টাইরোফোমের খাবার ধারক, পাতলা প্লাস্টিক মোড়কযুক্ত পণ্য, প্লাস্টিক বোতল ও ক্যাপসহ নানা সামগ্রী।
স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ