প্রকাশ: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০১ পিএম

অধিকৃত পশ্চিম তীরের হেবরন শহরে দুই ইসরায়েলি সেনা নিহত হওয়ার পর ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর ভাঙতে শুরু করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। গত শুক্রবার দুই ফিলিস্তিনি বন্দুকধারীর হামলায় ওই দুই সেনা নিহত এবং আরও তিনজন আহত হন। পরে ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে হামলাকারী দুজনও নিহত হন। এ ঘটনার পর হেবরন ও পাশের হালহুল শহরের চারপাশে অবরোধ আরোপ করা হয়েছে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, হামলাকারীরা যে এলাকা থেকে এসেছে, সেটি ‘ধ্বংস’ করা হবে। পশ্চিম তীরজুড়ে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালানোর প্রস্তুতির কথাও জানিয়েছেন তিনি। হামলার পর তাঁর দল লিকুদ পার্টি নির্ধারিত নির্বাচনি প্রচার কর্মসূচি বাতিল করে। এদিকে উগ্র ডানপন্থি অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোত্রিচ পশ্চিম তীরে গাজা বা লেবাননের মতো অভিযান চালানোর আহ্বান জানিয়েছেন। জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেনগাভির ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে ভেঙে দেওয়ার দাবি তুলেছেন।
ইসরায়েলি বাহিনী অতীতেও হামলায় জড়িত থাকার সন্দেহে ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর ধ্বংস করেছে। দেশটির মানবাধিকার সংগঠনগুলো এ ধরনের পদক্ষেপকে ‘সমষ্টিগত শাস্তি’ হিসেবে সমালোচনা করেছে। পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহের মৌসুমে ইহুদি বসতি স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলার অভিযোগও উঠেছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরু থেকে পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বাহিনী বা বসতি স্থাপনকারীদের হামলায় অন্তত ৯৬ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি