প্রকাশ: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১৫ পিএম

সৌদি আরবের বিভিন্ন শহরের কারাগারে প্রায় সাড়ে সাত হাজার বাংলাদেশি বন্দি রয়েছেন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। কোনো বাংলাদেশি নাগরিকের সাজা হওয়ার খবর পাওয়ার পর তাঁকে আইনি সুরক্ষা দেওয়ার মাধ্যমে রক্ষা করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয় বলেও জানান তিনি। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সৌদি আরবের রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় নিহত বাংলাদেশি কর্মী মো. শাহেদ আহম্মেদের মরদেহ গ্রহণের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
শামা ওবায়েদ ইসলাম জানান, সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে দেশটির রাষ্ট্রদূতকে ডেকে কথা বলেছে বাংলাদেশ। এ বিষয়ে সৌদি সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে রায়ের অনুলিপি চাওয়া হয়েছে। অনুলিপি পাওয়া গেলে ঘটনার বিস্তারিত জানা যাবে। প্রবাসী কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বিদেশ যাওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট দেশের আইনকানুন সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নেওয়া উচিত। সৌদি আরবে ৪০ লাখের বেশি বাংলাদেশি কাজ করেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশটিতে যুদ্ধ বা অন্য কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে বাংলাদেশি কর্মীদের হতাহত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
নিহত শাহেদ আহম্মেদ বগুড়ার শাজাহানপুরের বাসিন্দা। তাঁর দুটি সন্তান রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরুর পর নিহত প্রবাসীদের মধ্যে ১১তম ব্যক্তির মরদেহ হিসেবে তাঁর মরদেহ দেশে আনা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী জানান, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সমন্বিত উদ্যোগে দ্রুত মরদেহ দেশে আনা সম্ভব হয়েছে। নিহতের পরিবারকে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ৫০ হাজার টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে এবং মরদেহ গ্রামে পৌঁছে দিতে বিনা মূল্যে অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে বাংলাদেশে আটকে পড়া প্রবাসী কর্মীদের ভিসার মেয়াদ বাড়ানো ও নবায়নের বিষয়ে সৌদি আরবের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি