| শিরোনাম: |

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেছেন, মানবতাবিরোধী অপরাধে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যে রায় দেওয়া হয়েছে, সেই ধরনের সাক্ষ্য-প্রমাণ পৃথিবীর যেকোনো আদালতে উপস্থাপন করা হলেও একই সাজা দেওয়া হতো। তিনি মনে করেন, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও নীতিমালা মেনে সফলভাবে বিচার কার্য সম্পন্ন করেছে।
সোমবার (১৭ নভেম্বর) দুপুরে শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে ফাঁসির রায় ঘোষণার পর প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে চিফ প্রসিকিউটর এসব মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, “ক্রাইমস অ্যাগেইনস্ট হিউম্যানিটির মতো জটিল অপরাধের বিচার করতে বাংলাদেশ সক্ষমতা দেখিয়েছে। আদালতে যে ধরনের সাক্ষ্য ও প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়েছে, তা বিশ্বের যেকোনো আদালতের মানদণ্ডে টিকে থাকবে। তাই আজ যারা দণ্ডিত হয়েছেন, অন্য যেকোনো আদালতেও তারা একই শাস্তি পেতেন।”
তাজুল ইসলাম আরও বলেন, এই রায় প্রতিশোধের নয়; এটি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জাতীয় প্রতিজ্ঞার অংশ। তার ভাষায়, “এই রায় প্রমাণ করেছে অপরাধী যত ক্ষমতাশালীই হোক না কেন, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। বাংলাদেশ এমন একটি রাষ্ট্র, যেখানে বড় অপরাধীও বিচারের মুখোমুখি হয়।”
তিনি উল্লেখ করেন, এ রায়ের মাধ্যমে এক হাজার চারশ তরুণ যারা স্বৈরশাসনের অবসান ঘটাতে জীবন দিয়েছিলেন, তাদের পরিবারের জন্য সামান্য হলেও স্বস্তি বয়ে আনতে পারলে সেটাই প্রসিকিউশনের অর্জন।
মানবতাবিরোধী অপরাধের এই মামলায় শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড এবং দোষ স্বীকার করে রাজসাক্ষী হওয়া সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ