প্রকাশ: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ২:০৭ পিএম

ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও ডাকাতির মতো অপরাধ দমনে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে সরকার। এসব অপরাধের মামলা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে নেওয়ার বিধান যুক্ত করে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আইন, ২০০২ সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে ‘দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া তৈরি করা হয়েছে। এ নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়া হচ্ছে। সংশোধনী চূড়ান্ত হলে আগামী সংসদ অধিবেশনে তা পাসের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে।
বর্তমান আইনে হত্যা, ধর্ষণ, আগ্নেয়াস্ত্র, বিস্ফোরক ও মাদকদ্রব্য-সংক্রান্ত বিচারাধীন মামলা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের সুযোগ রয়েছে। প্রস্তাবিত সংশোধনীতে চাঁদাবাজি, দস্যুতা, ডাকাতি ও আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধের মামলাও এর আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এসব অপরাধের বিচার নিষ্পত্তিতে দীর্ঘসূত্রতা অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে। দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের পর সাধারণত ৯০ দিনের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তির বিধান রয়েছে। বিশেষ প্রয়োজনে নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত সময় নেওয়ার সুযোগও রয়েছে।
পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত মার্চে সারা দেশে ডাকাতি, দস্যুতা, চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে ১ হাজার ৩২২টি। মে মাসে ১ হাজার ২৭৬টি, জুনে ১ হাজার ৩১৮টি এবং সেপ্টেম্বরে ১ হাজার ৩২৭টি ঘটনা ঘটেছে। এদিকে ঢাকা মহানগর পুলিশের আট বিভাগে তালিকাভুক্ত ছিনতাইকারীর সংখ্যা ১ হাজার ৩৮৭। ছয় মাস আগে এ সংখ্যা ছিল ৯৮৯। পুলিশ সদর দপ্তরের মুখপাত্র সহকারী মহাপরিদর্শক কামারুম মুনিরা বলেন, এসব অপরাধের দ্রুত বিচারের উদ্যোগ প্রশংসনীয়। দ্রুত বিচার হলে অপরাধীদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি হবে এবং এ ধরনের অপরাধ কমে আসবে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি