প্রকাশ: শনিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:৪১ AM

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হওয়ার রেকর্ডকে সামনে রেখে বাবর আজম দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজটা খেলতে নেমেছিলেন। সে জন্য মাত্র ৯ রান দরকার ছিল। দীর্ঘদিন পর টি-২০ দলে সিরিজের প্রথম ম্যাচে ডাক মারায় তার শীর্ষে উঠা হয়নি, অপেক্ষা শেষ হয়েছে গতকাল দ্বিতীয় ম্যাচে।
লাহোরে বাবর গতকাল ১১ রান করে শীর্ষস্থানটা দখলে নিয়েছেন। ১২৩ ইনিংসে তার রান এখন ৪ হাজার ২৩৪। তিনি ১২৮.৭৭ স্ট্রাইক ও ৩৯.৫৭ গড়ে ব্যাট করেছেন। ফরম্যাটটিতে ৩টি সেঞ্চুরির পাশাপাশি করেছেন ৩৬টি হাফসেঞ্চুরি।
২৮ ইনিংস কম খেলেও বাবর টপকে গেছেন রোহিত শর্মাকে। ১৫১ ইনিংসে রোহিত করেছেন ৪ হাজার ২৩১ রান। এই ফরম্যাটে তিনি অবসরে গেছেন, অবসরে ৪ হাজার ১৮৮ রান নিয়ে তৃতীয় স্থানে থাকা বিরাট কোহলিও। তার মানে দীর্ঘদিন শীর্ষস্থানটা দখলে রাখার সুযোগ পাকিস্তানি ব্যাটারের। নিকট ভবিষ্যতে তাকে ধরার সুযোগ আছে ইংল্যান্ডের জস বাটলার (১৩২ ইনিংসে ৩৮৬৯) ও পল স্টার্লিংয়ের (১৫০ ইনিংসে ৩৭১০) সামনে।টি-টোয়েন্টিতে বাবর। অন্য দুই ফরম্যাটে শীর্ষস্থানে কে সেটা না বললেও হয়! লিটল মাস্টার শচীন টেন্ডুলকার টেস্টে ১৫ হাজার ৯২১ ও ওয়ানডেতে ১৮ হাজার ৪২৬ রান করেছেন।
বাবর শেষ পর্যন্ত অপরাজিতই ছিলেন ১১ রানের ইনিংসে। দলকে ৯ উইকেটে জিতিয়েই মাঠ ছেড়েছেন তিনি, যদিও মূল কাজটা হয়েছে শুরুতে সালমান মির্জা ও ফাহিম আশরাফের বলে ও পরে সাইম আয়ুবের ব্যাটে। প্রোটিয়াদের ১১০ রানে অলআউট করে দিতে ফাহিম ৪ ও সালমান মির্জা ৩ উইকেট নেন। বিনিময়ে দুজনে রান খরচ করেন যথাক্রমে ২৩ ও ১৪। প্রোটিয়াদের হয়ে সর্বোচ্চ ২৫ রান করেন দেওলাদ ব্রেভিস।
দৃষ্টিনন্দন কিছু শটে বিস্ফোরক ইনিংস খেলেন সাইম। তার সঙ্গী সাহিবজাদা ফারহান ২৮ রান করে করবিন বোশের ওভারে আউট হয়ে গেলেও আয়ুব ৩৮ বলে ৭১ রান করে অপরাজিত থাকেন। ৫টি ছক্কার পাশাপাশি তার ইনিংসে চারের মার ৬টি।
এই জয়ের ফলে তিন ম্যাচের সিরিজ ১-১ ব্যবধানে সমতায় আসলো। দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম ম্যাচটি জিতেছিল ৫৫ রানে। একই ভেন্যুতে দুদল আজ শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হবে। ৪ নভেম্বর থেকে ফয়সালাবাদে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ।
টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকা :
বাবর আজম – ৪২৩২ রান, ১৩০ ম্যাচ
রোহিত শর্মা – ৪২৩১ রান, ১৫৯ ম্যাচ
বিরাট কোহলি – ৪১৮৮ রান, ১২৫ ম্যাচ
জস বাটলার – ৩৮৬৯ রান, ১৪৪ ম্যাচ।
স্বদেশ প্রতিদিন/এমএস