প্রকাশ: সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ২:২৪ AM আপডেট: ১৫.০৯.২০২৫ ২:২৮ এএম

মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকার করলে বাংলাদেশকেই অস্বীকার করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ।
রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, “আমরা সবসময় আইনি ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়া মেনে রাজনীতি করে আসছি। স্বাধীনতার যুদ্ধ আমাদের জাতির একটি বড় অর্জন, এটা আমরা বারবার বলেছি। বাংলাদেশকে মেনে নিয়েই আমরা রাজনীতি করি। অতীত টেনে এনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর সুযোগ নেই। মুক্তিযুদ্ধ অস্বীকার করা মানেই বাংলাদেশকেই অস্বীকার করা।”
জুলাই সনদ প্রসঙ্গে জামায়াতের এই নেতা বলেন, “বারবার ভুল সিদ্ধান্ত নিলে জুলাই সনদ পুনরায় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। তাহলে কি আমরা সারাজীবন সংকটে থাকব? রক্ত ও জীবন দিতে থাকব?”
তিনি আরও বলেন, “আমরা কি বারবার ফ্যাসিবাদকে ফিরিয়ে আনার জন্যই সংস্কার করছি? নিশ্চয়ই নয়। সংবিধান অর্ডার ২০২৫ জারি করা হলে তা হবে একটি শক্তিশালী আইনি ভিত্তি, যা কোনোভাবেই চ্যালেঞ্জ করা যাবে না।”
হামিদুর রহমান আযাদ জানান, সংবিধানের ৭ নম্বর অনুচ্ছেদে জনগণের পরম ইচ্ছার কথা বলা হয়েছে। তার ভিত্তিতে অর্ডার জারি হলে সেটি হবে সর্বোচ্চ আইনগত শক্তির দলিল।
তিনি বলেন, “সরকার চাইলে এটিকে আরও শক্তিশালী করতে পারে শক্তির ওপর শক্তি, গণভোটের মাধ্যমেও তা নিশ্চিত করা সম্ভব। এতে করে ভবিষ্যতে আর কোনো আইনি বা রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ থাকবে না।”
জাতীয় নির্বাচনের প্রসঙ্গে জামায়াতের এই নেতা বলেন, “আমরা চাই একটি গ্রহণযোগ্য, সুষ্ঠু এবং ইতিহাসের সেরা নির্বাচন হোক। জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি তৈরি করে ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন আয়োজন করা উচিত।”
স্বদেশ প্রতিদিন/কেআইকে