প্রকাশ: শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ২:০০ পিএম

সংগৃহীত ছবি
ভারতের দিল্লি সরকার বিয়ার পানের বৈধ বয়সসীমা ২৫ থেকে কমিয়ে ২১ বছর করার উদ্যোগ নিয়েছে। কর্মকর্তাদের দাবি, এ পদক্ষেপ অবৈধ মদ বিক্রি কমাবে এবং সরকারের রাজস্ব সুরক্ষিত রাখতে সহায়তা করবে।
বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাতে এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, দিল্লি সরকার রাজধানীর আইনকে পার্শ্ববর্তী রাজ্যগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে চায়। নয়ডা, গুরগাঁও, গাজিয়াবাদ ও ফারিদাবাদে ইতোমধ্যেই বিয়ার পানের বৈধ বয়স ২১ বছর।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, চলতি সপ্তাহে আবগারি নীতি পর্যালোচনার উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এ প্রস্তাব তোলা হয়। কর্মকর্তাদের মতে, বয়সসীমা কমালে অবৈধ বাজার থেকে নকল বা অনিরাপদ মদ কেনাবেচা কমবে। পাশাপাশি সরকারের রাজস্বও বাড়বে।
এছাড়া মদ বিক্রির কাঠামোয় পরিবর্তনের কথাও ভাবছে সরকার। প্রস্তাবিত নীতিতে সরকারি দোকানের পাশাপাশি বেসরকারি খাতকেও লাইসেন্স দেওয়ার বিষয় বিবেচনায় রয়েছে। বর্তমানে কেবল সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো মদের দোকান পরিচালনা করে।
এক কর্মকর্তা জানান, আইন ভঙ্গ করে বয়সসীমার বাইরে মদ পান করলে দিল্লি আবগারি আইন, ২০০৯ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এবার লক্ষ্য হচ্ছে বিক্রয় ব্যবস্থায় আধুনিকায়ন ও স্বচ্ছতা আনা।
পিডব্লিউডি মন্ত্রী পারভেশ ভার্মার নেতৃত্বে গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটি ইতোমধ্যেই মদ শিল্পের বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে। প্যানেলটির লক্ষ্য হলো দেশি-বিদেশি প্রিমিয়াম ব্র্যান্ডের মদ সহজলভ্য করা। বর্তমানে সংকট দেখা দিলে দিল্লির অনেককে পাশের রাজ্যে যেতে হয়।
সরকারি কর্মকর্তাদের মতে, নতুন কাঠামো কার্যকর হলে দাম প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে থাকার কারণে দিল্লির রাজস্ব ক্ষতি হবে না। এছাড়া আবাসিক এলাকায় দোকান সীমিত রেখে শপিংমল ও বাণিজ্যিক কমপ্লেক্সে দোকান চালুর প্রস্তাবও আলোচনায় রয়েছে।
বর্তমানে দিল্লির চারটি সরকারি করপোরেশন মদের দোকান চালায়। প্রতিটি প্রতিষ্ঠান দেশি মদের বোতলপ্রতি ৫০ রুপি এবং বিদেশি মদের বোতলপ্রতি ১০০ রুপি মুনাফা পায়।