প্রকাশ: শুক্রবার, ১৮ জুলাই, ২০২৫, ৪:৪৯ পিএম

ফাইল ছবি
ভিন্ন কোনো দেশের পার্লামেন্ট নির্বাচন নিয়ে মন্তব্য না করার কঠোর নির্দেশনা পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন। ১৭ জুলাই ওয়াশিংটন থেকে বিশ্বজুড়ে মার্কিন দূতাবাস ও কূটনৈতিক মিশনগুলোতে পাঠানো একটি তারবার্তায় এ নির্দেশ দেওয়া হয়। বার্তার একটি অনুলিপি পেয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স।
তারবার্তায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে কোনো দেশের নির্বাচন সুষ্ঠু, বৈধ বা গণতান্ত্রিক হয়েছে কি না— এসব বিষয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত, দূতাবাস বা দূতাবাসে কর্মরত কূটনীতিকরা কোনো মন্তব্য করবেন না। এমনকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ বিষয়ে কোনো ধরনের পোস্ট নিষিদ্ধ থাকবে।
তাতে আরও বলা হয়, নির্বাচনের ফলাফলের পর বিজয়ী পক্ষকে অভিনন্দন জানানো এবং যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তাদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করাই হবে মার্কিন কূটনীতির মূল ফোকাস।
তবে, কোনো দেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়া যদি সরাসরি মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়, তাহলে সেই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানানো হবে শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বা পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুমোদিত মুখপাত্রের মাধ্যমে। স্থানীয় দূতাবাস বা রাষ্ট্রদূতের কোনো মন্তব্য করার এখতিয়ার থাকবে না।
এই নির্দেশনার পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ১৩ মে সৌদি আরবের রিয়াদে দেওয়া এক ভাষণকে রেফারেন্স হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ওই ভাষণে ট্রাম্প বলেছিলেন, “মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো কীভাবে নিজেদের সমস্যা সামলাবে, তা তারা নিজেরাই ঠিক করবে। যুক্তরাষ্ট্র আর নাক গলাবে না, বরং অংশীদারিত্ব বাড়ানোর দিকেই মনোযোগী হবে।”
তারবার্তায় সেই বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলা হয়, “যুক্তরাষ্ট্র নিজের গণতান্ত্রিক আদর্শে বিশ্বাসী এবং তা উদযাপন করে। তবে, প্রতিটি দেশ তাদের নিজস্ব পথ বেছে নিতে স্বাধীন— যুক্তরাষ্ট্র কেবল স্বার্থসংশ্লিষ্ট অংশীদারিত্ব জোরদারের চেষ্টা করবে।”
সূত্র : রয়টার্স
স্বদেশ প্রতিদিন/এনআর