
বিভিন্ন স্থানে সাধারণ মানুষের মধ্যে তিনি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ব্যাপক গণসংযোগ করেছেন এলডিপির উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য ও গণতান্ত্রিক মহিলা দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি অধ্যাপক কারিমা খাতুন।
আজ রবিবার (১৩ জুলাই) তিনি জয়পুরহাট-২ আসনের ক্ষেতলালের ফুলদীঘি, আলমপুর, বানাইচ, হিন্দা, ইটাখোলা, ক্ষেতলাল পৌরসভা এবং আক্কেলপুর উপজেলা সদর, পৌরসভা, গৌপিনাথপুর, তিলকপুরে ব্যাপক গণসংযোগ এবং লিফলেট বিতরণ করেন।
এছাড়াও গতকাল শনিবার ক্ষেতলাল উপজেলার মধুপুকুর, শিবপুর, কালাই উপজেলার মোলামগাড়ী, বেগুন গ্রাম, পৌর সভা, পুনট এলাকায় এলডিপির নেতাকর্মীসহ ব্যাপক প্রচার প্রচারণা চালিয়েছেন। এবং সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সাথে যোগাযোগ বৃদ্ধি করে যাচ্ছেন।
ইতোপূর্বেও ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষ্যে পোস্টার, গণসংযোগ এবং প্রচার প্রচারণার মাধ্যমে হাট-বাজার, স্কুলকলেজ, হোটেল ও চা দোকানসহ বিভিন্ন স্থানে সাধারণ মানুষের মধ্যে তিনি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন।
তিনি বলেন, “আমরা বিএনপির পরীক্ষিত বন্ধু। যুগপৎ আন্দোলনে আমরা একসঙ্গে কাজ করেছি। আমি বিশ্বাস করি, জোটগত নির্বাচনে জয়পুরহাট-২ আসনে আমি শতভাগ মনোনয়ন পাব। আমার লক্ষ্য দুর্নীতিমুক্ত, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তোলা। জনগণের সেবা করতে আমাকে একবার সুযোগ দিন।”
পেশাগত জীবনে তিনি মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, উত্তরা ইউনাইটেড কলেজ, ন্যাশনাল পাবলিক কলেজ, এমিনেন্স কলেজ এবং কুইন মেরী কলেজে শিক্ষকতা করেছেন। ২০২২ সালে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তিনি এবং তার স্বামী চাকুরিচ্যুত হন।
উল্লেখ্য, ছাত্রজীবনে তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সক্রিয় সদস্য ছিলেন। ২০১০ সালে তিনি লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টিতে (এলডিপি) যোগ দেন। ২০১২ সালে বিএনপির সঙ্গে জোট গঠনের পর থেকে তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের দমন-পীড়নের মধ্যেও তিনি গণতান্ত্রিক মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কাউন্সিলে সভাপতি নির্বাচিত হন। তার সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে সারাদেশে গণতান্ত্রিক মহিলা দলের কার্যক্রম প্রসারিত হয়। ২০১৫ সালে এলডিপির জাতীয় কাউন্সিলে তিনি উপদেষ্টা পদে নির্বাচিত হন।