আগামী দিনে শহীদদের মূল্যায়নে আমরা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো: ড. এম এ কাইয়ুম
প্রকাশ: শুক্রবার, ৩ জানুয়ারি, ২০২৫, ১১:৩৯ পিএম

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়ক সম্পাদক, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বাড্ডা হাই স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ড. এম এ কাইয়ুম বলেছেন, গণঅভূত্থান আন্দোলনে স্বৈরাচার শেখ হাসিনা পতনে এই অঞ্চলের শত শত মানুষ শহীদ হয়েছেন। তারা এই স্বৈরচারকে বিদার করতে অনেক রক্ত দিয়েছেন। আমি তাদের শ্রদ্ধার সাথে স্বরণ করি। আগামী দিনে এই শহীদদের মূল্যায়ন করার জন্য আমরা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
গতকাল শুক্রবার বাড্ডা হাই স্কুলের ৩০ বছরপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তিনি স্কুলের উত্তর উত্তর সমৃদ্ধি কামনা করেন এবং একটি আধুনিক ও যুগোপযোগী স্কুলের মানউন্নয়নে সংশ্লিষ্টদের তাগিদ দেন।
স্মৃতিচারণ করে ড. এম এ কাইয়ুম বলেন, আমার দীর্ঘ প্রবাস জীবনে এই বাড্ডা হাইস্কুলের অনেক ছাত্রের সাথেই দেখা হয়েছে। বিশেষ করে লাস্ট সময়ে যখন আমি আসি তার আগে একদিন মালয়েশিয়ার শপিংমলে আমার পিছে পিছে একজন দৌড়ে আসে। সামনে এসে আমি দাঁড়ালাম সে-ইতস্ত। বললেন স্যার আমি বাড্ডা হাইস্কুলের ছাত্র ছিলাম। আপনার বাসায় গিয়েছিলাম বেতন-ভাতার সহযোগিতা করেছিলেন। আজকে আমি মালেশিয়াতে আছি। উচ্চ শিক্ষালাভ করে এখানে আইটিতে ভালো চাকরি করছি। তিনি বলেন, মালোশিয়াতে অনেক ছাত্রের সাথেই দেখা হয়েছে। ৩০ বছর অল্প সময় না।

ড. এম এ কাইয়ুম আরো বলেন, বাড্ডা হাইস্কুল প্রতিষ্ঠার ৩০ বছর। সেদিন সকলে মিলে আমরা সম্মিলিতভাবে বাঁশের ঘরদিয়ে স্কুল প্রতিষ্ঠা করি। তারপরে সকলে সম্মিলিভাবে এ স্কুলকে প্রতিষ্ঠা করি। তারপর দুই বিঘা জমি আমরা বরাদ্ধ দিয়েছিলাম স্কুলের জন্য। পরবর্তীতে এখানে পাম্পের জন্য কিছু জায়গা ছেড়ে দিতে হয়েছে। এলাকার মানুষের জন্য। পানির চাহিদার কারণে। এ স্কুলটা সত্যিকার অর্থে আমি যে উদ্দেশ্য এলাকার লোকদের নিয়ে সকলের উদ্যোগে করতে চেয়েছিলাম। শিক্ষার মান এবং শিক্ষক নিয়োগ করেছিলাম। শিক্ষকদের কাছে যে প্রত্যাশা ছিলো। আসলে সে প্রত্যাশা পূরণ হয় নাই। উন্নতমানের স্কুল প্রতিষ্টা করার সুযোগ ছিল। এখানে গুলশান লেকের পাশে সুন্দর একটা মনোরম পরিবেশ। সেই অনুপাতে শিক্ষার মানটা উন্নত করতে পারে নাই।
তিনি বলেন, এখন প্রধান শিক্ষকসহ যারা আছেন। আমি অনুরোধ করবো তাদের আগামী দিনে এ স্কুলটা যাতে মানুষ উদায় হয়ে এসে...রুপান্তিত হয়। গার্ডিয়ান যে উদ্দেশ্য স্কুলে পাঠায়-যাতে সে উদ্দেশ্য পূরণ হয়। এর আগে বক্তব্যের শুরুতে সালাম জানান ড. এম এ কাইয়ুম।
তিনি বলেন, বাড্ডা হাইস্কুলের ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এ আলোচনা সভায় উপস্থিত আমার সহকর্মী রাজনীতিক নেতৃবৃন্দ, সরকারী কর্মকর্তাবৃন্দ। বিশেষকরে আমাদের বড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ শিক্ষক, শিক্ষিকা মন্ডলী এলাকার সুধীবৃন্দরা আমার প্রাণপ্রিয় সাবেক ও বর্তমান ছাত্র-ছাত্রীদের ধন্যবাদ জানাই।
স্বদেশ প্রতিদিন/এমআর