প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০০ পিএম

জাপানের দক্ষিণাঞ্চল থেকে তাইওয়ান হয়ে ফিলিপাইনের উপকূল পর্যন্ত বিস্তীর্ণ সমুদ্র এলাকায় চীনের ৫৩টি নৌবাহিনী ও অন্যান্য সরকারি জাহাজের অবস্থান শনাক্ত করেছে তাইওয়ান। এর মধ্যে ৩৪টি নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ রয়েছে। এসব জাহাজের মধ্যে চীনের বিমানবাহী রণতরি লিয়াওনিংও রয়েছে। তাইওয়ানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের মহাসচিব জোসেফ উ বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত একটি মানচিত্রে জাহাজগুলোর অবস্থান তুলে ধরেন। তিনি এ তৎপরতাকে তাইওয়ান, জাপান ও ফিলিপাইনের জন্য ‘স্পষ্ট হুমকি’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
তাইওয়ানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েলিংটন কু বৃহস্পতিবার বলেন, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত করতে পারে—এমন সামরিক শক্তি প্রদর্শন তারা দেখতে চান না। তাইপেতে পার্লামেন্টে সাংবাদিকদের তিনি জানান, চীনা যুদ্ধজাহাজের চলাচল পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি অংশীদার দেশগুলোর সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় করছে তার মন্ত্রণালয়। মানচিত্র অনুযায়ী, লিয়াওনিং ও এর সঙ্গে থাকা যুদ্ধজাহাজগুলো ফিলিপাইনের পূর্বদিকে অবস্থান করছে। তাইওয়ানের পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলের কাছেও কয়েকটি জাহাজের বহর রয়েছে।
চীন তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ বলে দাবি করে। তবে তাইওয়ানের সরকার বলছে, দ্বীপটির ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার সেখানকার মানুষের। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে তাইওয়ানকে সমর্থন দেওয়া নিয়ে চীনের সঙ্গে জাপানের এবং দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে ফিলিপাইনের সম্পর্কেরও অবনতি হয়েছে। চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক মন্তব্য করেনি। তবে চলতি মাসে মন্ত্রণালয়টি জানিয়েছিল, বিমানবাহী রণতরি লিয়াওনিংয়ের মহড়া নিয়মিত প্রশিক্ষণের অংশ, যা কোনো নির্দিষ্ট দেশকে লক্ষ্য করে পরিচালিত হচ্ছে না।
স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি