প্রকাশ: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৩৩ AM

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের একটি হিসাব অনুযায়ী, গত জুলাইয়ের তুলনায় যুদ্ধের ব্যয় ২৫ শতাংশের বেশি বেড়েছে। রয়টার্সের হাতে পাওয়া পেন্টাগনের তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে গত জুলাইয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ যুদ্ধের ব্যয় ৩৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার বলে জানিয়েছিলেন।
পেন্টাগনের হিসাব অনুযায়ী, যুদ্ধে ব্যবহৃত ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যান্য গোলাবারুদের মজুত পুনরায় গড়ে তুলতে ২৯ বিলিয়ন ডলারের বেশি প্রয়োজন হবে। এ ছাড়া ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত সামরিক সরঞ্জাম, বিমান ও ড্রোনের ক্ষতি পূরণে কংগ্রেসের কাছ থেকে ৬ বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ চাওয়া হতে পারে। তবে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো মেরামতের ব্যয় হিসাবটিতে স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত না থাকায় প্রকৃত ব্যয় আরও বাড়তে পারে।
গত ফেব্রুয়ারিতে ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথভাবে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। শুরুতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হবে না বলে মন্তব্য করলেও সামরিক ব্যয় বেড়েছে এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানির দামেও প্রভাব পড়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির সুযোগে ইরান ভূগর্ভস্থ অস্ত্রের মজুত ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আবার সক্রিয় করে। পরে ইরানের তেল রপ্তানি থেকে আয় বন্ধ করতে নৌ অবরোধ আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। নির্দেশ দেওয়া হলে বড় ধরনের সামরিক অভিযান পুনরায় শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছে পেন্টাগন বলে জানিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন কর্মকর্তারা। আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে যুদ্ধের ব্যয় ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি মার্কিন রাজনীতিতেও চাপ তৈরি করেছে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি