প্রকাশ: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৪০ পিএম

সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের বিরুদ্ধে ১৭২ কোটি ২৪ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) গ্রহণ করেছেন আদালত। রোববার (২৫ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবির এ আদেশ দেন। এ মামলার বাকি তিন আসামি—আনিসুল হকের ছোট ভাইয়ের স্ত্রী জেবুন্নেসা বেগম হক, ভাগ্নে শেখ মো. ইফতেখারুল ইসলাম ও মোহাম্মদ ইকবাল পলাতক থাকায় তাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। কারাগারে থাকা আনিসুল হককে এদিন আদালতে হাজির করা হয়।
দুদকের অনুসন্ধানে আনিসুল হকের স্বনামে ও বেনামে মোট ১৮০ কোটি ৮৫ লাখ ৭৩ হাজার ৮৮১ টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। এর বিপরীতে পারিবারিক ব্যয় বাদে তাঁর বৈধ আয় পাওয়া যায় ৮ কোটি ৬১ লাখ ৪০ হাজার ৯৪০ টাকা। ফলে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ১৭২ কোটি ২৪ লাখ ৩২ হাজার ৯৪১ টাকা। এ ছাড়া আনিসুল হক ও তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ২৩টি ব্যাংক হিসাবে ৭৩৭ কোটি ২৪ লাখ টাকার অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পেয়েছে দুদক।
২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি এ মামলাটি করে দুদক। পরে চলতি বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর দুদকের উপপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলায় আনিসুল হকসহ চারজনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থপাচার-সংক্রান্ত বিভিন্ন আইনের ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগগুলো আদালতে বিচারাধীন; অভিযোগপত্র গ্রহণ করা মানেই আসামিদের দোষী সাব্যস্ত করা নয়।
স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি