প্রকাশ: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৫২ পিএম

নির্বাচনের পটভূমি ও প্রেক্ষাপট: বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আগামী ১ জানুয়ারি নতুন মহাসচিব দায়িত্ব নেবেন। বিশ্লেষকদের মতে, ঘূর্ণায়মান ভৌগোলিক নীতি ও দীর্ঘদিনের দাবির সুবাদে এবারের মহাসচিব লাতিন আমেরিকা থেকে এবং প্রথমবারের মতো কোনো নারী হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।
নির্বাচন প্রক্রিয়া: ১৫ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদ একজন প্রার্থীকে সুপারিশ করার পর ১৯৩ সদস্যের সাধারণ পরিষদ তা অনুমোদন করে। নিরাপত্তা পরিষদের ৫ স্থায়ী সদস্যের (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন) ভেটো ক্ষমতা না থাকা এবং অন্তত ৯ সদস্যের সমর্থন এই প্রক্রিয়ার মূল চাবিকাঠি।
শীর্ষস্থানীয় তিন প্রার্থী:
ক্যারোলিন রড্রিগেস-বিরকেট (গায়ানা): জাতিসংঘে গায়ানার সাবেক রাষ্ট্রদূত ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী। ছোট দেশের স্বার্থ রক্ষা এবং মানবাধিকারের পক্ষে জোরালো অবস্থানের কারণে দ্বিতীয় দফার ভোটে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন।
রেবেকা গ্রিনস্প্যান (কোস্টারিকা): জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থার (UNCTAD) মহাসচিব এবং কোস্টারিকার সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট। ব্ল্যাক সি গ্রেইন চুক্তিতে সফল ভূমিকা রাখায় বেশ আলোচিত।
রাফায়েল মারিয়ানো গ্রোসি (আর্জেন্টিনা): আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (IAEA) মহাপরিচালক। তবে ফকল্যান্ড দ্বীপ নিয়ে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে আর্জেন্টিনার বিরোধ তার পথে বাধা হতে পারে।
অন্যান্য প্রার্থীরা: দৌড়ে থাকা বাকি প্রার্থীরা হলেন মারিয়া ফার্নান্দা এসপিনোসা (ইকুয়েডর), মিশেল ব্যাশেলে (চিলি), ম্যাকি সাল (সেনেগাল), ওলারা ওতুনু (উগান্ডা) এবং ইভোনে এ-বাকি (ইকুয়েডর)।
বর্তমান চ্যালেঞ্জ: যুক্তরাষ্ট্রসহ প্রধান দেশগুলোর তহবিলে টান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার টানাপোড়েন এবং গাজা, ইউক্রেন ও সুদানের সংঘাত রোধে জাতিসংঘের ব্যর্থতার প্রেক্ষাপটে নতুন মহাসচিবের সামনে বড় ধরনের প্রশাসনিক ও ভূ-রাজনৈতিক সংস্কারের চ্যালেঞ্জ রয়েছে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি