তিনি বলেন, “এই ন্যায়বিচারের মানদণ্ডে দুইজন আসামিকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে, আর একজন আসামি, যিনি রাজসাক্ষী হিসেবে আদালতের সামনে উপস্থিত হয়েছেন, সার্বিক বিবেচনায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড পেয়েছেন।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, “শহীদদের, দেশের, মানুষের, সংবিধানের, আইনের শাসনের এবং আগামী প্রজন্মের প্রতি দায়বদ্ধতা পূরণের স্বার্থে এ রায় যুগান্তকারী। এটি প্রশান্তি আনার সঙ্গে ভবিষ্যতের জন্য বার্তাও বহন করছে। বাংলাদেশের ন্যায়বিচার এবং আইনের শাসনের জন্য এটি একটি মাইলফলক।”
অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, পাঁচটি অভিযোগকে তিনটি কাউন্টে সংক্ষেপিত করে সাজা দেওয়া হয়েছে। আইন অনুযায়ী গ্রেপ্তার হওয়ার দিন থেকে সাজা কার্যকর হবে। আদালত শহীদ ও আহতদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছে। মামলার মধ্যে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের কোনো ইস্যু ছিল না, তাই এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।
তিনি আরও জানান, শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। পলাতক অবস্থায় কোনো আপিলের সুযোগ নেই এবং এটি শুধুমাত্র বাংলাদেশে নয়, বিশ্বের কোনো দেশে সম্ভব নয়।