প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৫, ১০:১৫ পিএম

সুপার ওভারে মাত্র ১ রানে জয় পেয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ বাঁচিয়ে রেখেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বাংলাদেশের কাছে হার নিশ্চিত হওয়ার পর হতাশ দেখা যায় শান্ত ও সাইফের মুখে। আগামী ২৩ অক্টোবর তিন ম্যাচের সিরিজের শেষ ওয়ানডেটি হবে অঘোষিত ফাইনাল।
সুপার ওভারে ১১ রানের লক্ষ্য নিয়েই ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। শুরুটা ভালোই ছিল, কিন্তু সৌম্য সরকার ও সাইফ হাসান সেটিকে জয় পর্যন্ত রূপ দিতে পারলেন না। বোলার আকিল হোসেন প্রথম বৈধ বলে ওয়াইড দেন এবং পরের বলে নো বল। সেই ফ্রি হিটে সৌম্য ডাবল নেন, কিন্তু এক রানের বেশি নিতে পারেননি। ফিরতি বলে সাইফ ডট দিয়ে ম্যাচে ফিরে আসেন আকিল।
চতুর্থ বলে সৌম্যকে বাউন্ডারি লাইনে ক্যাচ দিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয়কে আরও কাছাকাছি নিয়ে যান বাঁহাতি স্পিনার। পঞ্চম বলে লেগবাই নেওয়ার পর শেষ বলে সমীকরণ দাঁড়ায় ৪ রানের। আবর আবার ওয়াইড দেন, তবে শেষ বলে ১ রানেই সমীকরণ পূর্ণ করে আকিল হোসেন ওয়েস্ট ইন্ডিজকে জয় এনে দেন।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিং শুরু হয় মুস্তাফিজুর রহমানের বোলিংয়ে। প্রথম বলে এক রান দিলেও দ্বিতীয় বলে শেরফান রাদারফোর্ডকে আউট করেন বাঁহাতি পেসার। চতুর্থ বলেও প্রায় আউট হওয়ার সুযোগ আসে ব্র্যান্ডন কিংয়ের। তবে অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ ক্যাচ নিতে ব্যর্থ হন। শেষ বলে শাই হোপ চার মেরে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১০ রানের সংগ্রহে পৌঁছে দেন।
এর আগে শেষ ওভারের নাটকীয়তায় ম্যাচটি সুপার ওভারে গড়ায়। শেষ ৬ বলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রয়োজন ছিল ৫ রান, আর বাংলাদেশের প্রয়োজন ২ উইকেট। শেষ পর্যন্ত ডাবল নিয়ে হোপ ও পিয়েরে ম্যাচকে সমতায় ফেরান।
টসে জিতে ব্যাটিং করা বাংলাদেশ রিশাদ হোসেনের ঝড়ো ইনিংসে ৭ উইকেটে ২১৩ রান সংগ্রহ করে। তার ১৪ বলে ৩৯ রানের অপরাজিত ইনিংস ও ২৭৮.৫৭ স্ট্রাইক রেট দেশের ওয়ানডেতে নতুন রেকর্ড গড়ে। সৌম্য সরকার সর্বোচ্চ ৪৫ রান করেন। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে হোপের অপরাজিত ৫৩ রানের লড়াকু ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজও সমান ২১৩ রান করে।
স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ