প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৫, ৩:৫৬ পিএম আপডেট: ১৬.১০.২০২৫ ৪:০৭ PM

ফাইল ছবি
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ১৪০০ ছাত্র-জনতাকে হত্যা করা হয়েছে। একজন মানুষকে হত্যার জন্য যদি একবার মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়, তাহলে ১৪০০ মানুষকে হত্যার দায়ে শেখ হাসিনাকে ১৪০০ বার ফাঁসি দিতে হবে। কিন্তু আইনে এটা সম্ভব নয়। এজন্য মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য তার চরম দণ্ড দেওয়ার জন্য আবেদন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
টানা পাঁচদিন রাষ্ট্রপক্ষে যুক্তিতর্ক শেষে বৃহস্পতিবার দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এ আবেদন জানান তিনি। এসময় তিনি দাবি করেন, যদি তাকে (হাসিনা) এ দণ্ড দেওয়া হয় তাহলে ন্যায় বিচার পাবে দেশের জনগণ।
ট্রাইব্যুনালকে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতা হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধে স্বৈরাচার শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামাল ১৪০০ ছাত্র-জনতাকে হত্যা করেছে। একজন মানুষকে হত্যার জন্য যদি একবার মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়, তাহলে ১৪০০ মানুষকে হত্যার দায়ে শেখ হাসিনাকে ১৪০০ বার ফাঁসি দিতে হবে। তবে আইনে এ বিধান না থাকায় সর্বোচ্চ দণ্ড মৃত্যুদণ্ড চেয়েছেন প্রসিকিউশন। এছাড়া চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনের শাস্তির বিষয়টি ট্রাইব্যুনালের ওপর ছেড়ে দিয়েছেন প্রসিকিউশন।
চিফ প্রসিকিউটর আরো বলেন, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের চিহ্নিত করা ও দমনে হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হয়েছে। সেসব হেলিকপ্টার থেকে গুলি চালানো হয়েছে আন্দোলনকারীদের ওপর।
তদন্ত কর্মকর্তার দেওয়া চিঠির প্রেক্ষিতে র্যাব ও পুলিশ জানিয়েছে, আন্দোলনের সময় হেলিকপ্টারগুলো ৩৬ বার ফ্লাই করেছে । এগুলো ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, কুড়িগ্রাম, রংপুর, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর রোডসহ বিভিন্ন স্থানের ওপর দিয়ে উড্ডয়ন করেছে।
স্বদেশ প্রতিদিন / নিয়াজ