প্রকাশ: শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৩:০৩ পিএম

সংগৃহীত ছবি
আধুনিক জীবনে স্মার্টফোন যেমন অপরিহার্য, তেমনি এর ব্যাটারি সমস্যাও মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে ব্যাটারি ফুলে গেলে ফোনের ক্ষতির পাশাপাশি বিস্ফোরণ বা আগুন লাগার ঝুঁকি থাকে। বিশেষজ্ঞরা জানান, ফুলে যাওয়া ব্যাটারির ভেতরে দাহ্য ও বিষাক্ত গ্যাস জমা হয়। তাই দ্রুত অথরাইজড সার্ভিস সেন্টারে নিয়ে ব্যাটারি বদলানো জরুরি।
কেন ব্যাটারি ফুলে যায়
১. রাসায়নিক প্রতিক্রিয়া – লিথিয়াম-আয়ন পলিমার ব্যাটারির ভেতরের জেল গ্যাসে রূপ নিলে ব্যাটারি ফুলে যায়।
২. অতিরিক্ত চার্জিং – দীর্ঘসময় চার্জারে লাগিয়ে রাখা বা বারবার চার্জ দিলে ব্যাটারি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
৩. তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়া – চার্জের সময় বা ফোন গরম হলে ভেতরে গ্যাস তৈরি হয়।
৪. নকল বা নিম্নমানের চার্জার/ব্যাটারি – ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রণ ঠিক না থাকলে ব্যাটারি ফুলতে পারে।
5. পুরোনো ব্যাটারি – সাধারণত ২–৩ বছর পর ব্যাটারির আয়ুষ্কাল কমতে থাকে এবং ফুলে ওঠে।
৬. শর্ট সার্কিট বা উৎপাদন ত্রুটি – ভেতরের সেলে সমস্যা থাকলেও এ ধরনের ঝুঁকি তৈরি হয়।
প্রতিরোধের উপায়
সবসময় অরিজিনাল চার্জার ব্যবহার করুন।
ফোনকে অতিরিক্ত গরম হতে দেবেন না (গেম খেলার সময় বা রোদে ফেলে রাখা এড়িয়ে চলুন)।
দীর্ঘসময় ১০০% চার্জে ফেলে রাখবেন না।
ব্যাটারিকে সাধারণত ২০–৮০% চার্জের মধ্যে রাখুন।
২–৩ বছরের বেশি পুরোনো হলে ব্যাটারি বদলে ফেলুন।
মনে রাখবেন: ফুলে যাওয়া ব্যাটারি ফেলে দেওয়া বা কাটার চেষ্টা করবেন না, বরং রিসাইক্লিং বা ই-ওয়েস্ট কালেকশন সেন্টারে জমা দিন।