প্রকাশ: রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫, ৭:০০ AM

ব্যাটিং সহায়ক উইকেট। শুরুটাও ছিল দুর্দান্ত। মাত্র ৩ ওভারে বিনা উইকেটে ২৫ রান তুলে চাপে ফেলেছিল সফরকারী নেদারল্যান্ডস। ওপেনার ম্যাক্স ও’ডাউড মারকুটে মেজাজে, অন্য প্রান্তে একটু ধীর গতির বিক্রমজিত সিং। ঠিক তখনই বল হাতে এনে বাজিমাত করলেন তাসকিন আহমেদ। নিজের প্রথম বলেই উইকেট, এরপর আরও তিন শিকার। সব মিলিয়ে ৪ উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচসেরা তাসকিন, জয়ের নায়কও।
শনিবার (৩০ আগস্ট) তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ ৮ উইকেট ও ৩৯ বল হাতে রেখে দারুণ জয় পায়। আগুনে বোলিংয়ে ডাচদের ইনিংস ১৩৬ রানেই গুটিয়ে দেন টাইগার বোলাররা। জবাবে ব্যাট হাতে ঝড় তুলেন সাইফ হাসান ও লিটন দাস।
তাসকিন বললেন, ‘ছন্দ পেতে একটু কষ্ট হচ্ছিল। এখন ভালো হচ্ছে। গত কয়েক সপ্তাহে কিছু কষ্ট করছি। আস্তে আস্তে উন্নতি হচ্ছে। এখনও লম্বা পথ বাকি। আরও ভালো হবে আশা করি। এটাই প্রক্রিয়া অনুসরণ করে যাচ্ছি যেন সামনে আরও ভালো হতে থাকে।’
সামনে এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখাতেই দৃষ্টি ৩০ বছরের এই বোলারের, ‘প্রত্যেকটা আন্তর্জাতিক ম্যাচে চাপ থাকেই। প্রতিপক্ষ যেই হোক। আসলে টি-টোয়েন্টিতে এক ওভারেই ছন্দ বদলে দিতে পারে। আমাদের সবার দায়িত্ব কতটা পালন করতে পারছি সেটাই বড় বিষয়। টিম মিটিংয়ে সবাই যেভাবে কথা বলি সবাই সবার ক্ষেত্রে সৎ। অনেক মেহনত করে চলেছে সবাই। সামনে অনেক খেলা, এশিয়া কাপের পর আফগানিস্তান, ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এই ধারাবাহিকতা থাকলে অনেক ভালো কিছু হতে যাচ্ছে।’
তাসকিনের মঞ্চে প্রত্যাবর্তন রাঙিয়েছেন সাইফ হাসান। প্রায় ৪ বছর পর মূল জাতীয় দলে ফিরে ২ উইকেট শিকার করেন এই খণ্ডকালীন অফ স্পিনার। পরে ব্যাট হাতেও তাণ্ডব চালান তিনি। চারে নেমে ১৯ বলে অপরাজিত ৩৬ রানের ইনিংস খেলেন। দেখে বোঝার উপায় নেই এই দীর্ঘ সময় তিনি দলের বাইরে ছিলেন। এদিন সাইফের পাশাপাশি অধিনায়ক লিটন দাসের ২৯ বলে অপরাজিত ৫৪ রানের ইনিংসের প্রশংসাও করলেন তাসকিন।
ম্যাচ শেষে তাসকিন বললেন, ‘সাইফের ভালো অবদান ছিল। বোলিংয়েও ২ উইকেট নিয়েছে। ব্যাটিংয়েও ভালো শেষ করেছে। লিটনও ভালো করেছে। লিটনের ফর্মে থাকাটা আমাদের দলের জন্য অনেক জরুরি। এখন মাশাআল্লাহ অনেক ভালো ফর্মে আসছে। ভালো ব্যাটিং করছে এটাও দেখছি। ধারাবাহিকতা থাকলে সামনে ভালো কিছু আসবে। স্পোর্টিং কন্ডিশনে যেকোনো এক পক্ষকে দিয়ে জেতা সম্ভব না। সবই লাগে। আমাদের জন্য ভালো ব্যাটিংয়ে বোলিংয়ে সব জায়গায় ভালো হচ্ছে।’
স্বদেশ প্রতিদিন/এমএম