প্রকাশ: সোমবার, ১৪ জুলাই, ২০২৫, ৩:১২ পিএম

সংগৃহীত ছবি
রাজধানীর চাঁনখারপুলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময়ে ৫ আগস্ট ৬ জনকে হত্যা মামলার বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
আজ সোমবার (১৪ জুলাই) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেন। এদিন সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান হাবিবসহ ৮ জনের অব্যহতির আবেদন খারিজ করেন ট্রাইব্যুনাল। এ মামলার পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করা হয়েছে ৭ আগস্ট।
এদিন আরো ৫ মামলায় শুনানি হয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ। হাজির করা হয় সাভারের আসহাবুল ইয়ামিন হত্যা মামলার ৩ আসামি ও রামপুরায় কার্নিশে ঝুলে থাকা আমির হোসেনকে গুলির মামলায় এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকারসহ ২ জনকে।
এছাড়া ২০১৬ সালে কল্যাণপুরের জাহাজবাড়িতে জঙ্গি নাটক সাজিয়ে ৯ তরুণকে হত্যা মামলায় সাবেক আইজিপি শহিদুল হক, সাবেক ডিএমপি কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়াসহ ৩ জনকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। এসব মামলার তদন্ত শেষ করতে সময় নেন প্রসিকিউশন।
এর আগে সকালে এ মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে কনস্টেবল সুজনসহ ৪ জনকে হাজির করা হয়।
৩ জুলাই বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময়ে ৫ আগস্ট রাজধানীর চাঁনখারপুলে ৬ জনকে হত্যা মামলায় সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান হাবিবসহ ৮ জনের অভিযোগ গঠনের শুনানি শেষ হয়। এদিন এ বিষয়ে আদেশের দিন ধার্য করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।
ওইদিনও তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। তারা হলেন- শাহবাগ থানার বরখাস্তকৃত পরিদর্শক আরশাদ ও তিন কনস্টেবল সুজন, ইমাজ হোসেন ইমন ও নাসিরুল।
আর এ মামলায় পলাতক রয়েছেন আরো চার আসামি। তারা হলেন- সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, রমনা অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার শাহ্ আলম মো. আখতারুল ইসলাম, রমনা অঞ্চলের সাবেক সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ ইমরুল।
উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান চলাকালে গত ৫ আগস্ট রাজধানীর চাঁনখারপুলে গুলি
করে ৬ জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ
গত ২৫ মে আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল।
ওইদিন গ্রেফতার চার আসামির পক্ষে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন তাদের আইনজীবীরা। পলাতক চার আসামির পক্ষেও অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী। পরে উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ১৪ জুলাই আদেশের দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।