প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন, ২০২৫, ১১:০২ AM আপডেট: ১৯.০৬.২০২৫ ১:০৪ PM

মার্কিন নৌবাহিনীর সর্বাধুনিক ও বৃহত্তম বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড’ মধ্যপ্রাচ্যের দিকে পাঠানোর জন্য প্রস্তুত রয়েছে। ইরান-ইসরায়েল চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এটি অঞ্চলটিতে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ এবং সবচেয়ে বড় সামরিক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বুধবার (১৮ জুন) সিএনএন-এর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যাকারি কোহেনের বরাত দিয়ে আরেক মার্কিন গণমাধ্যম নিউইয়র্ক পোস্ট এ তথ্য জানিয়েছে।
এতে বলা হয়, ‘যুক্তরাষ্ট্রের ১,১০০ ফুট উচ্চতার পারমাণবিক শক্তিচালিত রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড আগামী সপ্তাহের মধ্যেই ইউরোপে মধ্যপ্রাচ্যের কাছে পাঠানো হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা এই অঞ্চলের তৃতীয় মার্কিন বিমানবাহী রণতরী হিসেবে বিবেচিত হবে।’
সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘১৩ বিলিয়ন ডলারের এই ক্যারিয়ারটি সম্ভবত গত বছরই ভূমধ্যসাগরে মোতায়েনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল।’
তবে ইরান-ইসরাইল সংঘাতের পরিপ্রেক্ষিতে রণতরীটি মধ্যপ্রাচ্যের কাছে পাঠানোর মার্কিন সিদ্ধান্তকে সহজভাবে দেখছেন না অনেকেই। কারণ, যুক্তরাষ্ট্র যেকোনো সময় ইরানে হামলা চালাতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।
বলা হচ্ছে, জেরাল্ড ফোর্ড ইউএসএস কার্ল ভিনসনের সাথে যোগ দেবে, যা ইতোমধ্যে পারস্য উপসাগরে রয়েছে। এবং ইউএসএস নিমিৎজ, যেটি এই সপ্তাহের শুরুতে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া থেকে পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
এদিকে, বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌঘাঁটি থেকে আরও কয়েকটি যুদ্ধজাহাজ ইতোমধ্যেই সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের চারপাশে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধির অংশ হিসেবেই এসব যুদ্ধজাহাজ নতুন করে মোতায়েন করা হচ্ছে।
সূত্র: সিএনএন, নিউইয়র্ক পোস্ট
স্বদেশ প্রতিদিন/এমএম