প্রকাশ: সোমবার, ২ জুন, ২০২৫, ৮:২৫ পিএম আপডেট: ০২.০৬.২০২৫ ১০:০৬ PM

সংগৃহীত ছবি
পলিসি লেভেলের এই একটি সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার মৌলিক পরিবর্তনের সূচনা হতে পারে।
আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের পাবলিক পরীক্ষায় কৃত্তিমভাবে জিপিএ বাড়িয়ে দিয়ে রেজাল্ট ভালো দেখানোর প্রবণতা শুরু হয়েছিল। এর পাশাপাশি পরীক্ষার আগেই প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং পরীক্ষার হলে উত্তরপত্র সরবরাহের মতো অনিয়মও চালু হয়েছিলো।
ধারণা করা হয়, এগুলো ছিলো বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ ধ্বংস করার জন্য সূদুর প্রসারী চক্রান্তের অংশ। এটার মূল মাস্টারমাইন্ড ছিলো তৎকালীন শিক্ষা মন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। পরবর্তীকালে নাহিদের মন্ত্রিত্ব চলে গেলে, যতদূর মনে পড়ে, ভারত থেকে শিক্ষা ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য তাকে পুরস্কৃত করা হয়েছিল! এগুলো নিয়ে তখনই আলোচনা সমালোচনা হয়েছিল তবে তাতে কেউ কর্ণপাত করেননি।
আপনি যদি কাউকে ধ্বংস করতে চান তবে পারমাণবিক বোমা না মেরে তার শিক্ষা ধ্বংস করে দেবেন। বোমা মারলেও যদি শিক্ষা ঠিক থাকে তবে সময়ের পরিক্রমায় সেই দেশ/জাতি আবার মাথা তুলে দাঁড়াবে। আমার পর্যবেক্ষণ হলো, এই রকম একটা বাজে পরিকল্পনার কূটচালে বাংলাদেশ পড়ে আছে। যা থেকে উত্তরণ না ঘটাতে পারলে জাতি হিসেবে আমাদের সামনে ঘনঘোর অন্ধকার অপেক্ষা করছে।
অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো ইন্টেরিম (অন্তর্বর্তীকালীন) সরকার নানা রকম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কাজ করলেও শিক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। সেদিক বিবেচনায় এটা একটা ভালো পদক্ষেপ।
লেখকঃ সহযোগী অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
স্বদেশ প্রতিদিন/আইএমএস