প্রকাশ: রবিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৫, ১:১৯ AM

প্রতীকী ছবি
একটি অতি উদ্ভট কথা ইদানিং চালু হয়েছে আমাদের সমাজে এবং সোশ্যাল মিডিয়াতে, যে "জামায়াতে ইসলামীর রাষ্ট্র-পরিচালনার কোন অভিজ্ঞতা বা দক্ষতা নেই। তারা রাষ্ট্র ক্ষমতা পেলে রাষ্ট্র পরিচালনা কীভাবে করবে?"
সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য এটা একটি আজব প্রশ্ন, যা উত্থাপন করছে মতলবাজরা।
রাষ্ট্র পরিচালিত হয় কিছু ইনস্টিটিউশনের মাধ্যমে। পার্লামেন্ট আইন প্রণতাদের নিয়ে কাজ করে এবং লোক প্রশাসন, লোকাল গভর্ণমেন্ট তাদের নিজস্ব পদ্ধতিতে কাজকর্ম চালিয়ে যায়।
এখানে এমন কোন নিয়ম নেই যে দলীয় নেতাদের কোর্স ক্যাডার করিয়ে অভিজ্ঞ করতে হবে, প্রশিক্ষণ দিতে হবে, এবং তারপর তারা দেশ পরিচালনা করতে পারবে। কারণ, মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব মন্ত্রীদের উপর থাকলেও তা পরিচালিত হয় আমলাদের মাধ্যমে। এইভাবে সর্বত্রই রাষ্ট্রের ইনস্টিটিউশনগুলো রাষ্ট্র পরিচালনা করে প্রতিষ্ঠিত নিয়ম পদ্ধতি এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাধ্যমে।
প্রশ্ন হলোঃ তাদেরকে (অর্থাৎ কর্ম করতে-কর্মচারী এবং প্রতিষ্ঠানগুলোকে) কারা পরিচালিত করবে? তারা কি সৎ নাকি দুর্নীতিগ্রস্ত? তারা কি নিজের স্বার্থকে দেশের স্বার্থের উপরে স্থান দেয়?
বাংলাদেশে বর্তমান সময়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগ হলো সৎ যোগ্য এবং জনবান্ধব রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে ক্ষমতার আসনে বসানোর জন্য নির্বাচিত করে নিয়ে আসা।
এই প্রক্রিয়ার বিপক্ষে গিয়ে ষড়যন্ত্র এবং বিরুদ্ধাচরণ করবে তারা যারা আমাদের দেশ স্থিতিশীল এবং উন্নয়নের পথের অভিযাত্রী হোক এটা চায় না!
তাই দেশের এবং বিদেশের শত্রুদের সম্পর্কে সচেতন হতে হবে প্রতিটি নাগরিককে। কারণ, সামনেই নির্বাচন।
লেখক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক
স্বদেশ প্রতিদিন/ নিয়াজ