প্রকাশ: শনিবার, ২৪ মে, ২০২৫, ৬:২৪ পিএম

এই মুহূর্তে সরকার বা রাজনৈতিক দলের পাশাপাশি দেশের জনসাধারণকেও সচেতন হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান। জুলাই অভ্যুত্থান এবং ৫ আগস্টের পর দীর্ঘ ৯ মাসে দেশের এমন পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তিনি বলেন, কিছু ঐতিহাসিক সত্য রয়েছে, যা কখনো অস্বীকার করা যাবে না। ৭১ কে যারা অস্বীকার করতে চায়, তাদের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করা উচিত। আজকের এই সংকট সৃষ্টির একটিই সমাধান রয়েছে। আর তা হলো গণতান্ত্রিক উত্তরণ।
শনিবার (২৪ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবের মাওলানা আকরম খাঁ হলে বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশ কর্তৃক আয়োজিত গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
গণতন্ত্র একটি খারাপ ব্যবস্থা উল্লেখ করে মইন খান বলেন, তবে এ গণতন্ত্র ছাড়া আর বাকি সব ব্যবস্থা আরো অনেক বেশি খারাপ। ৭১ সালে লাখো মানুষ জীবন দিয়েছে এই গণতন্ত্রের জন্য। এই প্রক্রিয়াটি সঠিকভাবে অনুশীলন করা হলে দেশের প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে ৫ বছর পরীক্ষা দিতে হবে জনগণের সামনে। আর সেই পরীক্ষা হলো নির্বাচন। এই নির্বাচনে কারচুপি হলেই সে পরীক্ষা থেকে বাদ।
বিগত ১৫ বছর দেশে কোনো নির্বাচনই হয়নি মন্তব্য তিনি আরো বলেন, দোষটা নির্বাচনের নয়, যারা আয়োজন করেছিলেন তাদের। বিশ্বের কোনো সংবিধানে খারাপ কথা লেখা থাকে না। ৭২ এর পর ৭৫ এ যে সংবিধানটি আসে তাতে একটি সেকশন যুক্ত করা হয়েছিল। যার ফলাফলই ছিল বাকশাল। পরবর্তীতে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে ছুঁড়ে ফেলা দেয়া হয়েছে সেসব।
উল্লেখ্য, সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন গণফোরামের প্রেসিডিয়াম সদস্য এডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নূরুল হক নূর, সংগঠনের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মাসুমসহ প্রমুখ।
স্বদেশ প্রতিদিন/আইজেপি