বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
   
শিরোনাম:
দেশকে অস্থিতিশীল করার সুযোগ দেয়া হবে না       নৈরাজ্য ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে মোংলায় বিএনপির বিক্ষোভ       আওয়ামী লী‌গের তিন নেতা গ্রেপ্তার      সাতক্ষীরায় জলবায়ু ন্যায়বিচার প্রকল্পের সমাপনী      সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ       আইনশৃঙ্খলা সভায় হট্টগোল, তর্কে জড়ালেন এমপি হান্নান      লাতিন আমেরিকার দুই দলকে হারাল জাপান-কোরিয়া      কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ততার সন্দেহে ৫১ কিশোর আটক      প্রথম ১৪ ওয়ানডেতেই ইতিহাস গড়লেন ম্যাথু ব্রিটজকে      ২৫ সেপ্টেম্বরের মুর্তজা কিজিলবাশের কনসার্ট স্থগিত      অঙ্কন-নন্দিতার দ্বৈত কণ্ঠে আজ প্রকাশিত হচ্ছে ‘মথুরা’      ফোটন সার্ভিস সেন্টারের উদ্বোধন      
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
এবার ভোটারদের কাছে টানতে বিভিন্ন বার্তা নিয়ে মাঠে বিএনপি
উমর ফারুক
প্রকাশ: বুধবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১২:৪৭ পিএম

# আজ থেকে শুরু জেলায়-জেলায় সমাবেশ
# দেশ নিয়ে বিএনপির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরবেন নেতারা
# দেবেন নানা প্রতিশ্রুতি, চাইবেন ভোট
# কৌশলে পরিচয় করিয়ে দেবেন সম্ভাব্যপ্রার্থীদের 
# দেশের ৬৭টি সাংগঠনিক জেলায় সমাবেশ করবেন নেতারা 


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনক্ষণ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকসহ বিভিন্ন সভা সেমিনারে দ্রুত নির্বাচনী রোডম্যাপ দেয়ার দাবি করছে বিএনপি। সরকার প্রধান খুব কৌশলীভাবে চলতি বছরের ডিসেম্বর ও আগামী বছরের জানুয়ারিতে নির্বাচন করার আশ্বাস দিচ্ছে। তবে, নির্বাচনের দিনক্ষণ নিয়ে ধোঁয়াশা থাকলেও মাঠ গোছাতে পুরোদমে কাজ করছে বিএনপি। ভোটের মাঠকে নিজের কব্জায় আনতে বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে তৃণমূলে যাচ্ছেন দলের কেন্দ্রীয় নেতারা।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে টিম তৈরি করে কেন্দ্রীয় সিনিয়র নেতারা যাচ্ছেন সাংগঠনিক জেলায় জেলায়। চলতি মাসে দেশের ৬৭টি সাংগঠনিক জেলায় সমাবেশের ঘোষণা করেছে। এছাড়াও আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি মানিকগঞ্জে কৃষক মহাসমাবেশ করবে দলটি। এতে প্রধান অতিথি হিসিবে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এছাড়াও আর আজ থেকে শুরু হচ্ছে জেলায় জেলায় সমাবেশ। এই সমাবেশের মধ্যদিয়ে নির্বাচনের চূড়ান্ত বার্তা দেবে দলটি। সারাদেশের নেতাকর্মী ছাড়াও সাধারন মানুষদের মধ্যে ভোটের হাওয়া ছড়িয়ে দেবে বলে জানা গেছে। 

গত সোমবার অন্তর্র্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নোবেলজয়ী ড. অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুসের সঙ্গে বৈঠক করেছে বিএনপি। বৈঠক শেষে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল বলেছেন, প্রধান উপদেষ্টা আমাদের আশ্বস্ত করেছেন, অতি দ্রুত তারা নির্বাচনের ব্যবস্থা করবেন। তিনি (প্রধান উপদেষ্টা) বলেছেন, ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের ব্যবস্থা করার জন্য তারা কাজ করছেন। আমরা আশা করব অতি দ্রুত নির্বাচনের রোড ম্যাপ ঘোষণা করবেন তিনি। ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আমরা প্রত্যাশা করছি। জনগণও প্রত্যাশা করছে। এরপরই বিএনপি নির্বাচনী প্রচার প্রচারনায় আরো আগ্রহ বেড়ে যায়।  নির্বাচন যখনই হোক, সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে চায় দলটি। 

সূত্রমতে, গত ১৭ বছর বিএনপি সরকার পতনের আন্দোলেন করে। এই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ছাত্র-জনতার আন্দোলন শুরু হয়। গত ৫ আগস্ট ছাত্রজনতার গণঅভুত্থানের মুখে স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার পতন হয়। শেখ হাসিনা পালিয়ে যায় ভারতে। এরপরই নিষিদ্ধ হয় আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠণ ছাত্রলীগ। আওয়ালীগ নিষিদ্ধে দাবি উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে কোথাও নেই আওয়ামী লীগ। তাই অনেকটা ফাঁকা মাঠেই ভোটের দাবি নিয়ে ভোটারের কাছে ছুটছে বিএনপি।   

এদিকে, নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি সহনীয় পর্যায়ে রাখা, অবনতিশীল আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি, দ্রুত গণতান্ত্রিক যাত্রাপথে উত্তরণের জন্য নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণা এবং রাষ্ট্রে পতিত ফ্যাসিবাদের নানা চক্রান্তের অপচেষ্টা মোকাবেলাসহ বিভিন্ন দাবীতে দেশব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করছে বিএনপি। এসব সমাবেশে যোগ দিবেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য, ভাইস চেয়ারম্যান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও যুগ্ম মহাসচিবসহ দলটির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ। কর্মসূচি সফল করতে বিভাগীয় সাংগঠনিক, সহসাংগঠনিক এবং সংশ্লিষ্ট জেলার কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাদের কেন্দ্রীয় দপ্তর থেকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। জেলা পর্যায়ে সমাবেশের পর মহানগর ও বিভাগীয় সদরে সমাবেশ করবে বলে জানা গেছে। 

সূত্রমতে, সারা দেশে নির্বাচনের আমেজ ছড়িয়ে দিতে জেলায় জেলায় কর্মসূচি দেয়া হয়েছে। জনদাবির ব্যানারে এই কর্মসূচি হলেও নির্বাচনের প্রসঙ্গে জোর দেওয়া হবে। নির্বাচনের প্রয়োজনীয়তা সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরা হবে। এর মধ্যে দিয়ে গ্রাম-গঞ্জে নির্বাচনের হাওয়া শুরু হবে। সম্ভাব্য প্রার্থীরা ভোটারদের কাছে যাবেন। তাদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি করবেন। সমাবেশ থেকে ভোটারদের কাছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিবে বিএনপি। পাশাপাশি মাঠ পর্যায়ে সম্ভাব্য প্রার্থীদের কর্যক্রম পর্বেক্ষণ করবে দলটি। ভোটারের আস্থা অর্জনের নেতাকর্মীদের দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে। দেশ নিয়ে বিএনপির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরবেন নেতারা। সেসব পরিকল্পনা নিয়ে জনগণের কাছে যাবেন দলীয় নেতাকর্মী। 

এবিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, দেশের মানুষ নির্বাচন চায়। একটি নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতায় বসাতে চায়। তারা তাদের ভোট প্রয়োগ করতে চায়। তাই বিএনপিও নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত। বিএনপি আগামী নির্বাচনে দেশের ৩শ’ আসনেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। তাই যেকোনো সময় নির্বাচনের দিন-তারিখ ঘোষণা করা হোক। 

বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ বলেন, বিএনপি দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল। সাংগঠনিকভাবেও আগের চেয়ে অনেক শক্তিশালী। নির্বাচনী ৩০০ সংসদীয় আসনের প্রত্যেকটিতে একাধিক যোগ্য প্রার্থী কাজ করছে। নির্বাচন যখনই হোক, সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে দলের হাইকমান্ড।  

জেলা পর্যায়ে সমাবেশের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দ্রব্য মূল্যবৃদ্ধিরোধ, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি, নির্বাচনী রোডম্যাপের দাবিতে এ সমাবেশ হচ্ছে। এটা রাজনৈতিক প্রোগ্রাম, সাংগঠনিক প্রোগ্রাম। এটা চলমান প্রক্রিয়া। এ কর্মসূচি শেষ হলে সামনে আরো কর্মসূচি আসবে। 

এদিকে, আজ থেকেই শুরু হচ্ছে বিএনপির জেলায়-জেলায় সমাবেশ। শুরুর দিন আজই ৬ জেলায় সমাবেশ করবে বিএনপি। লালমনিরহাট জেলায় কেন্দ্রীয় নেতা  দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন, সিরাজগঞ্জে  স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, খুলনায় স্থায়ী কমিটির অপর সদস্য  মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, ব্রাক্ষণবাড়িয়ায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, পটুয়াখালীতে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ও সুনামগঞ্জে আরিফুল হক চৌধুরী। 

১৬ ফেব্রুয়ারি : ফেনীতে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। এছাড়াও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত থেকে সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন। 

১৭ ফেব্রুয়ারি : যশোরে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, টাঙ্গাইলে স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল মঈন খান, কক্সবাজারে স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, মাদারীপুরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান, চাঁদপুরে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু, ঠাকুরগাঁওয়ে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, বগুড়ায় চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, শরীয়তপুরে ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, মৌলভীবাজারে আরিফুল হক চৌধুরী, ভোলায় জহির উদ্দিন স্বপন এবং নেত্রকোনায় যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স। 

১৮ ফেব্রুয়ারি : মানিকগঞ্জে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, পাবনায় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, পঞ্চগড়ে ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, কুমিল্লা দক্ষিণে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদীন ফারুক, ঝিনাইদহে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভুঁইয়া, হবিগঞ্জে যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সৈয়দপুরে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স।

 ১৯ ফেব্রুয়ারি : নোয়াখালীতে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, রাজবাড়ীতে ভাইস চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান রিপন, কুষ্টিয়ায় চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু, কিশোরগঞ্জে ফজলুর রহমান, সিলেটে সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, পিরোজপুরে মজিবুর রহমান সরোয়ার এবং জামালপুরে মো. জহুরুল হক শাহাজাদা মিয়া। 

২০ ফেব্রুয়ারি : ঢাকায় প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ল²ীপুরে স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বরিশাল দক্ষিণে সেলিমা রহমান, ফরিদপুরে ভাইস চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান রিপন, চুয়াডাঙ্গায় আমানউল্লাহ আমান, নওগাঁয় চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু এবং কুড়িগ্রামে আবদুস সালাম এবং ময়মনসিংহ দক্ষিণে আবদুল আউয়াল মিন্টু। 

২২ ফেব্রুয়ারি : ঝালকাঠিতে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন ভাইস চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন, চট্টগ্রাম দক্ষিণে আহমদ আযম খান, ময়মনসিংহ উত্তরে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এড. ফজলুর রহমান,গোপালগঞ্জে ড. আসাদুজ্জামান রিপন, রংপুরে আবুল খায়ের ভঁ‚ইয়া, জয়পুরহাটে হারুন অর রশিদ, কুমিল্লা উত্তরে মাহবুব উদ্দিন খোকন, বান্দরবানে যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন-নবী খান সোহেল এবং নরসিংদীর আবদুস সালাম আজাদ।
  
২৪ ফেব্রুয়ারি : মুন্সীগঞ্জে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, বরিশাল উত্তরে মেজর হাফিজ, নাটোরে ভাইস চেয়ারম্যান আহমদ আযম খান, নড়াইলে নিতাই রায় চৌধুরী, গাইবান্ধায় চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হারুন অর রশিদ, রাজশাহীতে উপদেষ্টা এড. ফজলুর রহমান, রাঙামাটিতে যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন-নবী-খান সোহেল এবং মাগুরায় আবদুস সালাম আজাদ। 

২৫ ফেব্রুয়ারি : নারায়ণগঞ্জে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গাজীপুরে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, চট্টগ্রাম উত্তরে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সাতক্ষীরায় ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরী, বাগেরহাটে বরকত উল্লাহ বুলু, খাগড়াছড়িতে উপদেষ্টা মনিরুল হক চৌধুরী, মেহেরপুরে আমানউল্লাহ আমান, নীলফামারীতে জয়নুল আবদীন ফারুক, চাঁপাইনবাবগঞ্জের আবদুস সালাম এবং দিনাজপুরে সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।

স্বদেশ প্রতিদিন/এমআর






Loading...
Loading...
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close