প্রকাশ: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:৪৩ AM

ইরানকে উন্নত প্রযুক্তির গাইডেড মিসাইল উৎক্ষেপণের জন্য ৯০টি লঞ্চার সরবরাহের পরিকল্পনা করেছিল রাশিয়া। দুই দেশের সামরিক সহযোগিতা নিয়ে ফাঁস হওয়া প্রতিরক্ষা শিল্পের কিছু নথিতে এ তথ্য উঠে এসেছে। তবে এসব লঞ্চার শেষ পর্যন্ত ইরানে পৌঁছেছিল কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের হাতে আসা নথি অনুযায়ী, রাশিয়া ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তিতে হেলিকপ্টার থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য ‘এলএমইউআর’ গাইডেড মিসাইলের জন্য এসব লঞ্চার সরবরাহের কথা ছিল। রুশ প্রতিষ্ঠান ‘ভিম্পেল’-এর ২০২৪ সালের মে মাসের উৎপাদন সূচিতেও ‘কে-১০’ নামে একটি রপ্তানি চুক্তির অধীনে ৯০টি লঞ্চারের অর্ডারের উল্লেখ রয়েছে। পৃথক অভ্যন্তরীণ নথিতে ‘কে-১০’ বলতে ইরানকে বোঝানো হয়েছে। এসব তথ্য ইউক্রেনের বেসরকারি গোয়েন্দা সংস্থা ‘ডালাস অ্যানালিটিক্স’-এর মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়েছিল।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং ইউক্রেন থেকে পশ্চিমা সামরিক মনোযোগ সরে যাওয়ায় রাশিয়া সুবিধা পাচ্ছে। অন্যদিকে, ইউরোপীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর দাবি, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীর অবস্থান শনাক্ত করতে ইরানকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও স্যাটেলাইট ছবি সরবরাহ করছে মস্কো। তবে রাশিয়া ইরানকে সামরিক সরঞ্জাম দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। ২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে দুই দেশের সামরিক সহযোগিতা বেড়েছে। ২০২৫ সালে তারা কৌশলগত অংশীদারিত্ব চুক্তিও স্বাক্ষর করে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি