প্রকাশ: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৪৬ পিএম

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে ৭ বছরের এক শিশুকে কৌশলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টার অভিযোগে প্রিয়া (৩৫) নামের এক নারীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয় জনতা। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে উৎসুক জনতার সঙ্গে পুলিশের সামান্য হট্টগোলের ঘটনা ঘটে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে কটিয়াদী পৌরসভার বেথইর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
আটক প্রিয়া বাজিতপুর উপজেলার দিঘীরপাড় গ্রামের টিপু মিয়ার স্ত্রী। অন্যদিকে, উদ্ধার হওয়া শিশু ইলমা খাতুন (৭) মুমুরদিয়া ইউনিয়নের পিপুলিয়া গ্রামের জামাল মিয়া ও ফাতেমা বেগমের মেয়ে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেলে কটিয়াদী পৌরসভার বেথইর এলাকার একটি স্কুলের আশপাশে শিশুটিকে কৌশলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন ওই নারী। বিষয়টি স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তারা তাকে আটক করেন এবং পুলিশে খবর দেন। পরে খবর পেয়ে কটিয়াদী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে উৎসুক জনতার ভিড় জমে এবং একপর্যায়ে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। তবে পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে অভিযুক্ত নারীকে হেফাজতে নেয়।
এ বিষয়ে কটিয়াদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম জানান, স্কুলের প্রধান শিক্ষক ফোন করে আমাদের জানান যে স্কুল ও এর আশপাশের এলাকায় ‘ছেলেধরা’ সন্দেহে এক নারীকে ঘিরে উত্তেজনা ও মারমুখী পরিস্থিতি বিরাজ করছে। খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
প্রাথমিক তদন্তের বরাত দিয়ে ওসি আরও জানান, ওই নারী মূলত কোনো ছেলেধরা নন। তার মূল উদ্দেশ্য ছিল শিশুদের পরিহিত স্বর্ণালংকার (বিশেষ করে কানের দুল বা সোনার জিনিসপত্র) কৌশলে চুরি বা ছিনিয়ে নেওয়া। বর্তমানে ওই নারী পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এফএইচ