প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫০ পিএম

দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সরবরাহে কোনো সংকট নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। অসৎ উদ্দেশ্যে কেউ এলপিজি মজুত করে কৃত্রিম সংকট বা জনঅসন্তোষ তৈরির চেষ্টা করলে সরকার ব্যবস্থা নেবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্যের বরাত দিয়ে জাহেদ উর রহমান জানান, গত আগস্টে দেশে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৭৬০ মেট্রিক টন এলপিজি আমদানি হয়েছে। চলতি সেপ্টেম্বরের ২২ তারিখ পর্যন্ত আমদানি হয়েছে ১ লাখ ১৮ হাজার ৭৪২ মেট্রিক টন। এসব তথ্যের ভিত্তিতে দেশে এলপিজির সরবরাহ ও মজুত পরিস্থিতি ভালো রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট বৈঠকে জানানো হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, দেশের বাজারে এলপিজির কোনো সংকট নেই বলে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রীকে আশ্বস্ত করেছেন এলপিজি আমদানিকারক ও অপারেটররা। সম্প্রতি এলপিজির আমদানি, মজুত, সরবরাহ পরিস্থিতি ও বাজারদর পর্যালোচনায় আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তারা এ নিশ্চয়তা দেন।
তবে পর্যাপ্ত মজুত থাকার পরও দেশের কোথাও কোথাও এলপিজির দাম বাড়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে বলে জানান তিনি। অসৎ উদ্দেশ্যে কেউ মজুত করে জনঅসন্তোষ সৃষ্টির চেষ্টা না করেন, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে সংশ্লিষ্টদের বলা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বিশ্বজুড়ে পণ্যের বাজারে এক ধরনের জল্পনামূলক প্রবণতা তৈরি হচ্ছে। এর প্রভাবেও বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়ার প্রবণতা থাকতে পারে। সরকার বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এর আগে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের মতবিনিময় সভায় আমদানিকারক ও অপারেটররা দেশে এলপিজির সংকট নেই বলে জানিয়েছিলেন। তবে একই সময়ে বিভিন্ন এলাকায় এলপিজি সিলিন্ডার না পাওয়ার অভিযোগ এবং নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির তথ্যও প্রকাশিত হয়েছে।
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) সেপ্টেম্বর মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের খুচরা মূল্য ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করেছে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি