| শিরোনাম: |

সংবিধান সংস্কার বা সংশোধন ছাড়া জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের দায়মুক্তি ও আইনি সুরক্ষা দিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জারি করা অধ্যাদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে।
একই সঙ্গে সংবিধান সংস্কার ছাড়া জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি ও আইনি সুরক্ষা দেওয়ার উদ্যোগ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না—তা জানতে চেয়ে রুল জারির আবেদনও করা হয়েছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি জেবিএম হাসানের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে রিটটির শুনানি হয়। শুনানি শেষে আদালত পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী রোববার দিন নির্ধারণ করেছেন।
রিটটি দায়ের করেছেন সৈয়দ মেজর বজলুল হুদার ভাই এবং জুলাই আন্দোলনের একজন যোদ্ধা নুরুল হুদা। তাঁর পক্ষে আদালতে শুনানি করেন ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির।
রিটে সংসদ সচিবালয়ের সচিব, আইন সচিব ও মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ মোট পাঁচজনকে বিবাদী করা হয়েছে।
রিট আবেদনে মূলত প্রশ্ন তোলা হয়েছে, সংবিধান সংশোধন বা সংস্কারের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনি ভিত্তি তৈরি না করে শুধু একটি অধ্যাদেশ জারি করে জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি ও আইনি সুরক্ষা দেওয়া কতটা বৈধ।
আবেদনে বলা হয়েছে, জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলাসহ বিভিন্ন ধরনের আইনি কার্যক্রম থেকে সুরক্ষা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এ ধরনের দায়মুক্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে যথাযথ সাংবিধানিক ও আইনি ভিত্তি থাকা প্রয়োজন।
রিটে আরও বলা হয়েছে, প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক ভিত্তি ছাড়া জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি ও আইনি সুরক্ষা দেওয়া হলে ভবিষ্যতে এ সিদ্ধান্ত আদালতে আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে।
আবেদনকারীর পক্ষ থেকে তাই সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশের বৈধতা যাচাই এবং সংবিধানের সঙ্গে এর সামঞ্জস্য নির্ধারণের বিষয়টি আদালতের সামনে তুলে ধরা হয়েছে।
এখন হাইকোর্টের পরবর্তী শুনানিতে এ বিষয়ে আদালত কী নির্দেশনা দেন, সেদিকেই নজর থাকবে। আগামী রোববার নির্ধারিত শুনানিতে রিটটির বিষয়ে আরও আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।