| শিরোনাম: |

‘ফজু পাগলা’ উপাধি পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করেছেন বিএনপির কিশোরগঞ্জ–৪ আসনের প্রার্থী অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান।
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) যে প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে, তাতে কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা–মিঠামইন–অষ্টগ্রাম) আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক দলীয় পদধারী এই নেতা। যদিও কয়েক মাস আগে তার পদ সাময়িকভাবে স্থগিত করেছিল দলটি।
৫ আগস্টের পর থেকে ফজলুর রহমান বিভিন্ন বক্তব্যের মাধ্যমে মিডিয়ায় ও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনায় আসেন। তার কিছু বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এক পর্যায়ে অনলাইন ও রাজনৈতিক মহলে তাকে ‘ফজু পাগলা’ নামে ডাকতে শুরু করে একটি পক্ষ, যা পরবর্তীতে বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
ফজলুর রহমান দাবি করেছেন, ‘ফজু পাগলা’ নামটি তাকে দিয়েছেন মুফতি আমির হামজা ও মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী। তিনি এই উপাধি পেয়ে ক্ষুব্ধ না হয়ে বরং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “ফজু পাগলা! আমি দেখলাম, কথাটা তো মন্দ বলেনি। তাই মুফতি আমির হামজা, মাওলানা আজহারী—তাদের ধন্যবাদ জানাই আমাকে ফজু পাগলা বলার জন্য।”
তিনি আরও বলেন, “আমি কিশোরগঞ্জের মানুষ, আর কিশোরগঞ্জেই আছে বিখ্যাত ‘পাগলা মসজিদ’। ভাবলাম, ফজু পাগলাই তো যথেষ্ট পরিচয়! বাংলাদেশে অনেক মসজিদ আছে, কিন্তু কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদে মানুষ যত দান করে, ততটা তো বায়তুল মোকাররমেও হয় না। সুতরাং ‘পাগলা’ তো এক অসাধারণ উপাধি!”
হাস্যরসাত্মক ভঙ্গিতে তিনি বলেন, “পাগলা মসজিদ যত সম্পদ পায়, আমিও তেমনি মানুষের ভালোবাসা আর সমর্থন পাই। তাই বলি, আমাকে পাগলা বলাটা খারাপ কিছু না, বরং অনেক ভালো হয়েছে।”
স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ