প্রকাশ: রবিবার, ২ নভেম্বর, ২০২৫, ৫:৩৪ পিএম

দশমিনায় ঝুঁকিপূর্ণ লঞ্চঘাট দিয়ে পারাপার, দুর্ঘটনার আশঙ্কা
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার আউলিয়াপুর লঞ্চঘাট দিয়ে প্রতিদিন শত শত যাত্রী পারাপার হয়। মরিচাধরা এই ঘাটটির ডেকের লোহার প্লেট উঠে মাঝ বরাবর তৈরি হয়েছে বড় একটি গর্ত। যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আউলিয়াপুর এলাকার এই লঞ্চঘাটে নারী-শিশু ও বিভিন্ন বয়সী যাত্রীদের ভিড় লেগে থাকে। ঢাকা থেকে পায়রা বন্দর বা চরফ্যাশনগামী লঞ্চগুলো ভিড়লে ঘাটে তীব্র ভিড় তৈরি হয়। ডেকের মাঝ বরাবর প্রায় ছয় থেকে সাত ফুট দীর্ঘ গর্ত। উল্টে থাকা লোহার পাত এবং ফাটল ধরা অংশে পানি ও আবর্জনা জমে আছে। আশঙ্কা রয়েছে, কোনো দুর্যোগ বা ঢেউ উঠলে ফেরির ভেতরে পানি ঢুকে বিপর্যয় ঘটতে পারে।
স্থানীয়রা জানান, এই ঘাট দিয়ে প্রতিদিন প্রায় পাঁচ শতাধিক যাত্রী পারাপার করেন। মাঝখানে বড় গর্ত হয়ে গেছে, কোনো বাচ্চা বা বৃদ্ধ পা ফসকে পড়লে সোজা নিচে চলে যাবে। তবু বিকল্প না থাকায় সবাই বাধ্য হয়ে এই ঘাট ব্যবহার করছে।
দীর্ঘদিন ধরেই ঘাটের এমন দুরবস্থা, কিন্তু সংশ্লিষ্ট প্রশাসন বা বিআইডব্লিউটিএ কোনো পদক্ষেপ নেয়নি বলেও জানান স্থানীয়রা।
আরেক যাত্রী বলেন, ‘‘জানিনা কবে এই জরাজীর্ণ ঘাটে দুর্ঘটনা ঘটবে। আমরা শুধু চাই, দ্রুত ঘাটের পল্টনটি সংস্কার করা হোক।’’
বিআইডব্লিউটিএ বরিশাল ডিভিশনের (নৌ সংরক্ষণ ও পরিচালন বিভাগ) যুগ্ম-পরিচালক মো. আব্দুল্লাহ আল বাক্বী স্বদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘‘বিষয়টি আমরা অবগত রয়েছি। ওই ঘাটের পুরো পল্টনটি মেরামতের জন্য উর্ধতন কতৃপক্ষের কাছে একটি স্কিম পাঠানো হয়েছে। সেটি অনুমোদন হলে আশা করছি শীঘ্রই কাজ শুরু করতে পারবো আমরা।’’
যদি দ্রুত ঘাটটি সংস্কার না করা হয়, তাহলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে শঙ্কা করছে স্থানীয়রা।