প্রকাশ: সোমবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৫, ১:১৬ AM

চারিত্রিক দ্বিমুখিতা ভয়ংকর বিষয়। যে কোন আন্দোলনের নেতা-কর্মীদের মাঝে এই বিষক্রিয়া ছড়িয়ে পড়লে পতন ঘটাতে বাহিরের শত্রুর প্রয়োজন হবে না। পছন্দের মানুষের নেগেটিভ দোষকে পজিটিভ করে প্রচার এবং অপছন্দের মানুষের পজিটিভ গুণাবলিকে নেতিবাচকভাবে প্রচার আমাদেরকে অন্তঃসারশূন্য করে দিতে পারে। তাই কারো কথাকে হুবহু প্রচার বা বর্ণনা করা জরুরী। নিজের সুবিধা-অসুবিধা বিবেচনায় ‘বর্ণনা’ পরিবর্তন হতে পারে না।
সাহাবায়ে কেরাম (রা) রাসূলে আক্বরাম (সা) এর কথা প্রচারে কতটা যথার্থতা অবলম্বন করেছেন এবং তাঁর বাণীকে কোনরূপ পরিবর্তন, পরিমার্জন এবং পরিবর্ধন ছাড়াই প্রচার করেছেন, ভাবা যায়! আমরা যদি তাঁর উম্মত হিসেবে তাঁর শাফায়াত লাভ এবং তাঁর হাত থেকে হাউজে কাউসারের পানি পান করতে চাই তবে কারো কথাকে বিকৃত না করে হুবুহু প্রচার করতে হবে। নিজের সুবিধামত প্রচার থেকে শতভাগ বিরত থাকতে হবে।
"যে ব্যক্তি আল্লাহ এবং তাঁর মহান রাসূলের (সা) প্রতি ঈমান রাখেন তিনি যেন ভালো কথা বলেন, নচেৎ চুপ থাকেন"।
লেখক: শিক্ষাবিদ ও সমাজ গবেষক
স্বদেশ প্রতিদিন/কেআইকে