প্রকাশ: রবিবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১০:১৩ AM আপডেট: ০৫.১০.২০২৫ ১০:১৪ এএম

ফাইল ছবি
গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে হামাসের সম্মতির অপেক্ষায় রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, হামাস সম্মতি দিলেই যুদ্ধবিরতি সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর হবে।
রবিবার (৫ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড এ তথ্য জানায়।
ট্রাম্প বলেন, গাজায় যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময়ের আলোচনায় বড় অগ্রগতি হয়েছে। ইসরায়েল প্রাথমিক প্রত্যাহার সীমারেখায় যেতে সম্মত হয়েছে এবং হামাস নিশ্চিত করলেই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে। তিনি একে “তিন হাজার বছরের এই বিপর্যয়ের অবসানের পথে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ” হিসেবে উল্লেখ করেন।
শনিবার হামাসও এক বিবৃতিতে জানায়, “ইসরায়েল প্রাথমিক প্রত্যাহার সীমারেখায় সম্মতি জানিয়েছে। বিষয়টি আমাদের জানানো হয়েছে।”
এরপর ট্রাম্প তার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ লেখেন, “হামাস নিশ্চিত করলেই যুদ্ধবিরতি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে, বন্দি ও কয়েদি বিনিময় শুরু হবে, এবং পরবর্তী ধাপে সেনা প্রত্যাহারের প্রস্তুতি নেওয়া হবে।”
তিনি আরও বলেন, “ইসরায়েল অস্থায়ীভাবে বোমাবর্ষণ বন্ধ করেছে, যাতে বন্দিমুক্তি ও শান্তিচুক্তির সুযোগ তৈরি হয়। হামাসকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে, নইলে সব কিছুই ভেস্তে যাবে।”
এর আগের দিন হামাস ঘোষণা দিয়েছিল, তারা জীবিত ও মৃত সব ইসরায়েলি বন্দিকে মুক্তি দিতে প্রস্তুত এবং গাজার প্রশাসন একটি স্বাধীন, প্রযুক্তিনির্ভর ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের হাতে হস্তান্তর করতে রাজি। তবে তারা জোর দিয়ে জানিয়েছিল, গাজার ভবিষ্যৎ ও ফিলিস্তিনিদের অধিকার একটি বৃহত্তর জাতীয় কাঠামোর মধ্যেই নির্ধারিত হওয়া উচিত।
অবরুদ্ধ গাজায় ইসরায়েলের হামলায় এখন পর্যন্ত ৬৭ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। পুরো অঞ্চল ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে, বাস্তুচ্যুত হয়েছেন প্রায় সব অধিবাসী।
সূত্র: টিআরটি ওয়ার্ল্ড
স্বদেশ প্রতিদিন/এনআর